03:42pm  Tuesday, 25 Jun 2019 || 
   
শিরোনাম
 »  লন্ডন উৎসবে ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’     »  আফগানদের ৬২ রানে পরাজিত করল বাংলাদেশ     »  সাকিবের ঘূর্ণিপাকে পড়ে জয়ের বন্দরে পথ হারালো আফগান     »  কুলাউড়ায় দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রী ছিল ‘এক হাজার’     »  সিলেট শিক্ষা ট্রাস্টের বৃত্তি পেলো ৬১ জন মেধাবী শিক্ষার্থী     »  ধারাবাহিক প্রতিবেদন-১, মাদক সিন্ডিকেট: মাদকে সয়লাব শিবগঞ্জের মনাকষা, দেখার কেউ নেই     »  কোন এখতিয়ারে জাতীয় সংসদের প্যাডে পুলিশের কনষ্টবল নিয়োগে এমপি হারুনের সুপারিশ     »  সাবেক ওসি মোয়াজ্জেমকে কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থার নির্দেশ      »  দুই খেলায় দেশ সেরা রাজবাড়ীর দুই শিক্ষার্থী     »  কালোটাকা সাদা করা সংবিধানের চেতনাবিরোধী   



মুকসুদপুর হাসপাতালে নিম্ন মানের খাবার পরিবেশন; নীরব কর্তৃপক্ষ
১৫ এপ্রিল ২০১৯, ২ বৈশাখ ১৪২৬, ৮ শাবান ১৪৪০



গোপালগঞ্জ থেকে বিশেষ প্রতিদেক: গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে দীর্ঘ দিন যাবত নিম্ন মানের খাবার পরিবেশন করে আসছে ঠিকাদার মুছা। ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে সকালের নাস্তা প্রতিদিন সকাল ৯টার পর থেকে রোগীদেরকে দেওয়া শুরু করে। যে খাবার দিয়ে যায় তাও খাওয়ার অযোগ্য বলে জানায় চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। রোগীরা অভিযোগ করে বলেন, দুপুরের খাওয়ার অযোগ্য নিম্নমানের ভাত ও তরকারী দিয়ে যায়, যা রোগীরা না খেতে পেরে অনেক সময় তা ফেলে দেয় ডাস্টবিনে। খবর নিয়ে জানা যায়, লোহাচুড়া গ্রামের রওশন আলীর ছেলে মুছা বহুদিন যাবৎ ঠিকাদার হিসেবে এই ধরনের নিন্মমানের খাবার পরিবেশন করে আসছে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে। দুঃখের বিষয় হলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানার পরেও নিরব ভূমিকা পালন করছে।

চন্ডিবর্দী গ্রামের বাচ্চু সরদার বলেন, তিন বেলা খাবারই নিম্ন মানের যা খেলে সুস্থরোগী অসুস্থ হয়ে যাবে। সকালের নাস্তা নাম মাত্র, দুপুরের খাবার নিম্নমানের রাতে পচা ও র্দূগন্ধ খাবার পরিবেশন করে। তাই আমার পরিবারের সদস্যরা নিজ বাড়ী থেকে খাবার নিয়ে আসে।

এলাকার রোগীর আত্মীয় সুমন জানান, হাসপাতালে যারা খাবার পরিবেশন করে তাদের কে কিছু বলাই যায় না। একটুতেই তারা রেগে গিয়ে তারা বলেন খেলে খাবেন না খেলে ফেলে দেন।

ঠিকাদার মুছা প্রতিদিন সরকারি খাবার তালিকা অনুযায়ী হাসপাতালের আরএমও, ডায়েট ইনচার্জ, ফ্লোর ইনচার্জ ও বার্বুরচিকে বুঝিয়ে দেওয়ার কথা তিনি তা না করে বার্বুচীকে বুঝিয়ে দিয়ে চলে যান।

এ ব্যাপারে আরএমও ফ্লোর ইনচার্জকে বার বার বলা হলেও কোন ফল হয়নি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা।

এ ব্যাপারে ঠিকাদার মুছার নিকট ফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, সরকারি তালিকা অনুযায়ী যেটা দেওয়ার কথা আমি সেটাই দিয়ে আসছি।

মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার টেলিফোনে একাধিক বার কল দিলেও কেউ ফোন রিসিভ করেনী। পরে অফিস সূত্রে জানা যায় তিনি ছুটিতে রয়েছেন এই কারণে তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি।

এম শিমুল খান,বিশেষ প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ

নেত্রকোনায় পাকা ব্রিজ ভেঙ্গে যানবাহন চলাচল বন্ধ


এই নিউজ মোট   3276    বার পড়া হয়েছে


জনদূর্ভোগ



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.