10:28pm  Saturday, 24 Aug 2019 || 
   
শিরোনাম
 »  শিবগঞ্জ উপজেলা-ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের মতবিনিময়     »  শিবগঞ্জে হোটেলের বর্জ্যে জন্ম নিচ্ছে মশা ও দূষিত হচ্ছে পরিবেশ     »  সুন্দরগঞ্জে বিনাধান-১৯ কর্তন ও মাঠ দিবস      »  সুন্দরগঞ্জে ফকিরপাড়া মসজিদের ছাদ ঢালায়ের উদ্বোধন      »  গাইবান্ধায় ধানের চারা ও বীজ বিতরণ      »  গোবিন্দগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নতুন কমিটি গঠন     »  ‘বঙ্গবন্ধু মানেই সততা ও দেশপ্রেম’ -নজরুল ইসলাম বাবু এমপি     »  ঝালকাঠিতে সাতদিন ব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযান, ফলদ ও বৃক্ষ মেলা ২০১৯ উদ্বোধন      »  ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করায় হিন্দু যুবককে কারাগারে পাঠিয়েছে     »  জিম করছেন নুসরাত ফারিয়া   



পুরো মে মাস নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিতে সময় পেলো ৩৭ দল
১২ মে ২০১৯, ২৯ বৈশাখ ১৪২৬, ৬ রমজান ১৪৪০



বর্ধিত এক মাসের মধ্যে বিবরণী জমা দিতে রবিবার দলগুলোর সাধারণ সম্পাদক/মহাসচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয়ের হিসাব না দেয়ায় ৩৭টি রাজনৈতিক দলকে আরো এক মাস সময় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব বিবরণী দেয়ার জন্য পুরো মে মাস সময় পাবে দলগুলো। এরপরও এসব দল যদি হিসাব জমা না দেয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনত যে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেটি কমিশন নিবে বলে গত সপ্তাহে জানিয়েছিলেন ইসির সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

ইসির উপ-সচিব আব্দুল হালিম বলেন, নির্ধারিত সময়ে হিসাব দিতে ব্যর্থ দলগুলোকে পরবর্তী এক মাসের মধ্যে বিবরণী জমা দেয়ার তাগাদা দিতে চিঠি দেয়া হল। এরপরও ব্যর্থ হলে জরিমানাসহ ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেয়ার সুযোগ পাবে। এরপরও হিসাব না দিলে নিবন্ধন বাতিলের সুযোগ রয়েছে ইসির।

একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ফলের গেজেট প্রকাশের পর পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়ার নিয়ম রয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে। একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছিল ১ জানুয়ারি। সে অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর ২ এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব বিবরণী জমা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৩৯টি দলের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও ন্যাপ ছাড়া আর কোনো দল ওই সময়ে হিসাব বিবরণী দাখিল করেনি। আওয়ামী লীগ গত ২১ এপ্রিল নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে। গত বুধবার নির্বাচনে দলের ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার জন্য সময় বাড়াতে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে বিএনপি।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ৪৪ সিসিসি ধারায় বলা আছে, প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে তাদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দিতে হবে। ৪৪ডি ধারায় বলা আছে, কোন দল ৯০ দিনের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে না পারলে ইসি তাদের সতর্ক করে নোটিশ দিয়ে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেয়ার নির্দেশ দিতে পারবে। এই সময়ের মধ্য কোনো দল হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে ইসি তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেয়ার নির্দেশ দিতে পারবে। কোনো দল এই ধাপেও ব্যর্থ হলে ইসি সেই দলের নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে।

ইসির সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা জানান, বিএনপিসহ ৩৭টি দল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি। আরপিও অনুযায়ী, যে দল থেকে সর্বোচ্চ ৫০ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, সে দল সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারে। সর্বোচ্চ ১০০ প্রার্থীর জন্য দেড় কোটি টাকা করা যায়। সর্বোচ্চ ২০০ প্রার্থীর জন্য তিন কোটি টাকা এবং ২শ’র বেশি প্রার্থী দিলে সংশ্লিষ্ট দল সর্বোচ্চ সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারে। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় সীমা ছিল। কেননা, এই তিনটি দলের প্রার্থী রয়েছে দুইশ’র বেশি। আর জাপার ব্যয়সীমা ছিল তিন কোটি টাকা। এরশাদের নেতৃত্বাধীন দলটির প্রার্থী ছিলেন ১শ’র বেশি।

উল্লেখ্য, সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ২৫৮জন, বিএনপির ২৪২ জন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৯৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আর জাপর প্রার্থী দেয় ১৭৪ আসনে। দলগুলো চাঁদা ও অনুদানসহ অন্যান্য খাত থেকে আয় করতে পারে। তবে নির্বাচনে ব্যয় করতে হয় নির্ধারিত খাতে। এগুলো হলো দলীয় প্রধানের ভ্রমণ, পোস্টার, প্রচার কাজের জন্য ব্যয়।

বাংলাদেশ কংগ্রেসকে এবার নিবন্ধন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখন ডাব প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে দলটি। কংগ্রেসকে নিবন্ধন দেয়ার বিষয়ে আদালতের আদেশকে কারণ দেখিয়েছে ইসি। বাংলাদেশ কংগ্রেস নামের দলটিকে ‘ডাব’ প্রতীকে ৪৪ নম্বর দল হিসেবে নিবন্ধন দিয়েছে ইসি। আদালতের আদেশ মেনে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন করা হয়েছে। বর্তমানে ইসিকে ৪১টি দল নিবন্ধিত রয়েছে। জামায়াতে ইসলামী, ফ্রিডম পার্টিসহ তিনটি দল শুরুতে নিবন্ধিত হলেও পরে তা বাতিল হয়।

গত ৩০ ডিসেম্বরের ভোটের আগে নতুন দল হিসেবে নিবন্ধন পেতে ৭৬টি দল আবেদন করেছিল। সংক্ষিপ্ত বাছাইয়ে ঠিকে থাকা কংগ্রেসহ দুটি দলের মাঠ পর্যায়ের অফিস তদন্তে নেমে নেতিবাচক প্রতিবেদন থাকায় নিবন্ধন দেয়নি ইসি। বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান কাজী রেজাউল হোসেন ও মহাসচিব ইয়ারুল ইসলাম তখন ইসির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন করেও সাড়ায় পাননি। পরে আদালতের শরণাপন্ন হলে সমপ্রতি দলটিকে নিবন্ধন দিতে আদেশ দেয় আদালত। এর আগে একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএমকেও আদালতের আদেশে নিবন্ধন দেয়া হয়।
এই নিউজ মোট   1920    বার পড়া হয়েছে


নির্বাচন



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.