05:07pm  Tuesday, 22 Oct 2019 || 
   
শিরোনাম
 »  সৌদির ধরপাকড়ে বিপাকে প্রবাসীরা, আরও ৭০ বাংলাদেশিকে ফির‌তে হ‌য়ে‌ছে     »  মা কে বিয়ে করায় সৎ বাবাকে তুলেই নিয়ে গেল ছেলে     »  পঞ্চগড়ে গলির রাস্তায় পাওয়া সেই কন্যাশিশুটির মাকে ঠাকুরগাঁওয়ে পাওয়া গেছে     »  বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার কোন বিকল্প নেই     »  বোরহানউদ্দিনের সেই বিপ্লবসহ তিনজন কারাগারে     »  ভোলাহাট থানায় চলমান সকল সমস্যা নিয়ে আলোচনা     »  ঝালকাঠিতে নবাগত অতিঃ পুলিশ সুপারকে জেলা পুলিশের ফুলেল শুভেচ্ছা     »  শাহজালালে ২৯৯ যাত্রী নিয়ে সৌদি বিমানের জরুরি অবতরণ     »  খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি মিলেছে      »  মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি গঠনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ছাত্রলীগের    



কোরআন পড়া অবস্থায় শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাতে, গুরুতর জখম
২২ জুন ২০১৯, ৮ আষাঢ় ১৪২৬, ১৮ শাওয়াল ১৪৪০



আজ শনিবার সকাল ৬টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার শাহগঞ্জ এলাকায় সহপাঠিকে গালাগাল করেছে-এ ধরনের অপরাধে মো. নেজামুল হক(১২) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীকে কোরআন পড়া অবস্থায় জোড়া বেত দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছেন মাদরাসার হুজুর মো. আল-আমীন(৩৫)। পরে দুপুরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঈশ্বরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। এদিকে এ ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে গেছে।

হাসপাতালের শয্যায় যন্ত্রণায় কাতর নেজামুল জানায়, সে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের মাইজহাটি গ্রামের মো. মজিবুর রহমানের পুত্র। স্থানীয় মাইজহাটি শাহগঞ্জ দারুস উলুম কওমী মাদ্রাসায় নাজেরা বিভাগে পড়ালেখা করে। আজ শনিবার সকালে অন্যান্য দিনের মতো সে কোরআন পড়ছিল। এ সময় হুজুর আল-আমীন কাছে এসে জানতে চায় রবিউল নামে তার সহপাঠিকে কেন গালাগাল করেছে। এ সময় সে গালাগাল করেনি বলে উত্তর দিলে হুজুর কিছু না বলেই দুইটি বেত একত্রে করে তাকে দুই হাতে বেদম পিটাতে শুরু করে। এক পর্যায়ে সে হুজুরের পা ধরে আকুতি মিনতি করেও মার থেকে রক্ষা পায়নি। পরে বেত ভেঙ্গে গেলে সে রক্ষা পায়। পরে পরিবারের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নেয়।

আহত নেজামুলের বাবা মজিবুর রহমান জানান, তাঁর ছেলেকে এতই মেরেছে যে এখন সে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। পুরো পিট ও শরীরে বিভিন্ন জায়গায় লালছে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই শরীরে জ্বর সহ ব্যথা এসে যায়। এ অবস্থায় থানায় নিয়ে অভিযোগ দায়েরের পর শিশু নেজামুলকে হাসপাতারে ভর্তি করানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মাদরাসার প্রধান তৌফিকুল ইসলাম বলেন, একজন শিক্ষক এভাবে মারতে পারে না। ঘটনার পর থেকে ওই শিক্ষক পালিয়ে গেছে। তাঁকে খোঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনা হবে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক সজিব ঘোষ বলেন, অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে খোঁজা হচ্ছে।


এই নিউজ মোট   1896    বার পড়া হয়েছে


শিশু নির্যাতন



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.