02:47am  Saturday, 20 Jul 2019 || 
   
শিরোনাম



আজ সব কিছু রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে
০৫ জুলাই ২০১৯, ২১ আষাঢ় ১৪২৬, ০১ জিলকদ ১৪৪০



বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনবারের সংসদ সদস্য। ছিলেন মন্ত্রীও। চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যানও ছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আমাদের প্রতিবেদক-

রাজনীতিতে আপনার যোগদানের প্রেক্ষাপট কেমন ছিল?


আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। বাবা মাহমুদুন্নবী চৌধুরী মন্ত্রী ছিলেন। জেঠা (বাবার চাচাতো ভাই) নুরুল হক চোধুরীও মন্ত্রী ছিলেন। পরিবারের মধ্যে রাজনীতি থাকলে যা হয় আর কি। স্বৈরাচার পতনের পর আবার যখন রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি হলো, তখন স্বাভাবিকভাবে যাঁরা রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান, তাঁদের প্রতি এলাকার মানুষের একটা চাওয়া তৈরি হলো। ওই পরিবারের সঙ্গে ওই অঞ্চলের রাজনীতির একটা সম্পর্ক হয়ে যায়। ফলে মানুষ চাইল, ওই রাজনৈতিক পরিবার থেকে কেউ না কেউ রাজনীতিতে আসুক।


ব্যবসায়ী ছিলেন, রাজনীতি করছেন। কোনটা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের?

ব্যবসা নিজের জন্য, রাজনীতি জনগণের জন্য। ব্যবসা মানে নিজে কামাই করব, নিজে খরচ করব পুরোপুরি নিজের স্বার্থে। আর রাজনীতিটাকে যাঁরা সত্যিকার অর্থে বিশ্বাস করেন জনগণের জন্য, তাঁদের জন্য এখানে স্বার্থ বিসর্জনের একটা বিষয় আছে। বহুলাংশে ত্যাগের একটা বিষয় আছে। আনন্দময় জীবনযাপনের যে অভিজ্ঞতা ব্যবসায়ীদের থাকে, রাজনীতিবিদদের সেটা থাকার কথা নয়। পরিবার বঞ্চিত হয়। বন্ধু-বান্ধবরাও বঞ্চিত হয়। আমি রাজনীতিতে এসেছি পারিবারিক কারণে এবং নিজের একটা ভিশন নিয়ে। বাবার রাজনীতি আমি দেখেছি। অর্থনৈতিকভাবে তিনি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। কিন্তু দিন শেষে দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে যে সম্পর্ক-এটা আমি রাজনীতিতে না এলে কোনো দিন বুঝতে পারতাম না। জনগণকে বুঝতে হলে, জানতে হলে এবং তাদের পাশে দাঁড়াতে হলে রাজনীতি করতে হবে। রাজনীতির মাধ্যমে যে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব, সেটা অন্য কোনোভাবে সম্ভব নয়। সেটা দেশের নীতি প্রণয়ন বলুন, দেশের উন্নয়ন বলুন বা জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন বলুন; সামাজিক, অর্থনৈতিক, এমনকি সাংস্কৃতিক-প্রতিটি ক্ষেত্রে রাজনীতিতে থেকেই বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।

পরিবারের অন্যদের কথা জানতে চাই।

আমরা পাঁচ ভাই পাঁচ বোন। বড় ভাই লন্ডনে ব্যবসা করেন। আমি মেজো। বড় ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে আমি রাজনীতিতে হাল ধরেছি। ছোট ভাইরাও ব্যবসা করে। আমার মেয়ে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করে এখন আমেরিকায়ই কাজ করছে। ছেলেও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

আপনার পরিবারে পরবর্তী প্রজন্মের কারো কি রাজনীতিতে আসার সম্ভাবনা আছে?

সেটি বলতে পারব না। আমি আমার ছেলে-মেয়েকে রাজনীতিতে আসতেও বলি না, আবার না আসতেও বলি না। আমি বিশ্বাস করি, জীবনে যে যেটা করবে, তাকে সেটা উপভোগ করতে হবে এবং মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে। তারা যদি রাজনীতিতে আসে, তাহলে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে-রাজনীতিবিদ হতে হলে ত্যাগের বিষয় আছে, জনগণের কল্যাণের বিষয় আছে। জনগণের প্রত্যাশা, দেশের কল্যাণ-নিজের সুযোগ-সুবিধার বাইরে গিয়ে এগুলো নিয়ে ভাবা একটা বড় সিদ্ধান্ত। এসব বুঝে তারা যদি রাজনীতি করতে চায় করবে, না চাইলে করবে না। তবে যে যেখানেই থাকুক, দেশ ও জাতির জন্য সবাইকে কন্ট্রিবিউট করতে হবে। আমরা অনেক ভালো আছি। বাংলাদেশে অনেক মানুষের জীবনমান অত্যন্ত নিম্নপর্যায়ের। নিজেদের পুষ্টি, পড়াশোনা, স্বাস্থ্য, আবাসন-এগুলোর সমাধান তারা করতে পারছে না। দেশের স্বাধীনতার এত বছর পরও সমস্যাটা আছে। সে ক্ষেত্রে আল্লাহ আমাদের যেখানে রেখেছেন, সেখান থেকে মানুষের জন্য কিছু করতে হবে। রাজনীতির মাধ্যমে আমার ছেলে-মেয়েরা যদি তা করতে চায়, করতে পারে। আবার রাজনীতির বাইরে গিয়েও কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ আছে।

দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আপনার মূল্যায়ন?

দেশের অর্থনীতির মূল কাঠামো বা ফাউন্ডেশনগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। ফিন্যানশিয়াল সেক্টরের মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলা হয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলো পরিচালনার জন্য যে নিয়ম-শৃঙ্খলা দরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেখভাল করার বিষয়গুলোও এখন নেই। ব্যাংকের মালিকরা আবার এখন কেউ কেউ রাজনীতিরও মালিক। এটাকে ‘অলিগারকি’ বলে। এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের কিছু লোক ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতি, পলিসি মেকিংসহ সব নিয়ন্ত্রণ করে।

জর্জ অরওয়েলের ‘১৯৮৪’-র মতো কিছু ইঙ্গিত করছেন?

বাংলাদেশে আজ যা হচ্ছে, সেটাকে জর্জ অরওয়েলের ‘১৯৮৪’ এবং ‘এনিম্যাল ফার্ম’-দুটি বইয়ের সঙ্গে তুলনা করা যায়। ‘এনিম্যাল ফার্ম’ বইটিতে যেমন দখল, নৈরাজ্য, অপশাসন, দুর্নীতি ও নির্যাতনের বার্তা দেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশের জনগণকেও একইভাবে অপশাসনের বার্তা দেওয়া হচ্ছে। দে হ্যাভ টেইকেন ওভার, দে আর রানিং দ্য গভর্নমেন্ট, দে আর রানিং দ্য ইকোনমি, দে রানিং দ্য পলিটিকস। এককথায় পলিটিক্যাল একটা নেক্সাস তৈরি হয়েছে। উইন্ডো ড্রেসিং (লোক-দেখানো সাজসজ্জা) করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে আছে। ব্যালান্সশিটে এদের কোনো শক্তি নেই।

আপনার ছাত্রজীবন কেমন ছিল?


আমি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট ও গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করি। এরপর যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছি। আমাদের কলেজিয়েট স্কুল তখন খুবই উচ্চমানের ছিল। স্কুল লাইফটা খুব উপভোগ করেছি। ক্লাস টু-থ্রি থেকে ম্যাট্রিক পর্যন্ত ওখানে পড়েছি। খেলাধুলা করেছি। আবার জুনিয়র ক্যাডেট কোর (জেসিসি) ট্রেনিংও নিয়েছি। লেখাপড়ার সঙ্গে স্পোর্টস, কালচার, জেসিসি-কোনো দিকে কোনো ঘাটতি ছিল না। স্কুলজীবনের যে বন্ধুত্ব, ওই রকম বন্ধুত্ব আর কোনো সময় হয় না। আ ফ ম মাহবুবুল হক আমার ক্লাসফ্রেন্ড ছিলেন। আমাদের চট্টগ্রামে পারিবারিক জানাশোনার মধ্যে বিয়ে করি ১৯৭৪ সালে। লন্ডনে পড়তে যাওয়ার পর, যুক্তরাজ্যেই ব্যবসা শুরু করি। একটা পর্যায়ে দেশে চলে আসি এবং এখানকার কিছু ব্যবসার দায়িত্বভার গ্রহণ করি। ব্যবসা করতে করতে বিজনেস লিডারশিপ ও ট্রেড লিডারশিপে জড়িয়ে পড়ি। পরে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি হই। সভাপতি থাকাকালে যখন স্বৈরাচারের পতন হয়, তখন বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত হলাম। ১৯৯১ সালের কথা। ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যখন নির্বাচন করেন, তখন আমি ওনার কো-অর্ডিনেটর ছিলাম। পরে যখন আসনটি (চট্টগ্রাম-৮) খালি হয়, সেখানে উপনির্বাচনে আমি নির্বাচিত হই। ১৯৯৬ সালেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হই। ২০০১ সালে ছিলাম বাণিজ্যমন্ত্রী।

বড় হয়ে কী হওয়ার ইচ্ছা ছিল তখন?

সুনির্দিষ্ট কিছু নয়। ঠিক টার্গেট করে রাজনীতিক হতে চেয়েছি-এমনও নয়। তবে পারিবারিকভাবে জীবনযাপন এমন ছিল, আমরা রাজনীতির মধ্যেই ঢুকে ছিলাম। ঘুম থেকে ওঠা এবং ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত বাসায় রাজনীতিকদের আসা-যাওয়া দেখেছি। আলোচনা শুনেছি।

রাজনীতিতে যোগদান কিছুটা দেরিতেই হয়েছে?

মানসিকভাবে প্রথম থেকেই আমি এরশাদবিরোধী ছিলাম। একটি ঘটনা খুব স্মরণে আছে। ‘ইত্তেফাকে’র জাহিদুজ্জামান ফারুক আমার একটি ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন, তা নিয়ে এরশাদ খুব ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। কারণ আমি সরকারের বিরুদ্ধে শক্ত কিছু কথা বলেছিলাম। ওই ঘটনা নিয়ে তত্কালীন রাষ্ট্রপতি এরশাদ আমাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। বেশ জেরা করেছিলেন। পরে ইনকাম ট্যাক্স ফাইল নিয়ে সরকার বেশ ঝামেলায় ফেলতে চেয়েছিল আমাকে। কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকায় কিছুদিন পরই এরশাদবিরোধী আন্দোলন চাঙ্গা হয় এবং তাঁর পতন হয়। আমি তত দিনে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ি।

আপনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ছিলেন, তারপর স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন। এ প্রাপ্তির পেছনে কিসের ভূমিকা ছিল?

এটা দলের চেয়ারপারসনের সিদ্ধান্ত। আমি চেষ্টা করেছি আমার মতো কাজ করতে। এলাকার বাইরেও দলের অন্যান্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। যে প্রতিষ্ঠানে যে কাজ করি না কেন, যেমন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স বা চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের যখন সভাপতি ছিলাম, আমার প্যাশন ছিল গবেষণার দিকে যাওয়া। আমি যে প্রতিষ্ঠানগুলোতে যখন দায়িত্বে ছিলাম, সেখানে গবেষণা করে কাজ করেছি। আসলে গবেষণা আমার প্যাশন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গবেষণা প্রয়োজন। আমি বিএনপির গবেষণা সেলের সঙ্গে জড়িত। আমি বিশ্বাস করি, গবেষণা ছাড়া সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। আরেকটা জিনিস থাকতে হবে-তথ্য। এসব ছাড়া শুধু রাজনীতি করে কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ভালো করা সম্ভব নয়।

বিএনপির গবেষণা সেল থেকে ভালো ফল পাচ্ছেন?

এটা এখন যে পর্যায়ে আছে, তার চেয়ে আরো ভালো করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। গবেষণা করতে গেলে যে সঠিক গবেষকের প্রয়োজন, সেটার অভাব আছে বাংলাদেশে। রাজনৈতিক গবেষণা, অর্থনৈতিক গবেষণায় ভালো গবেষকের বেশ ঘাটতি আছে। দ্বিতীয়ত, ভালো গবেষকরা ব্যয়বহুল। ভালো গবেষণা যদি করতে চাই, তার জন্য যথেষ্ট বিনিয়োগেরও প্রয়োজন। সেদিক থেকে বিএনপিতে আর্থিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা আছে। যে সম্ভাবনা আছে, সেটাকে হয়তো আমরা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছি না। সীমিত সম্পদের মধ্য দিয়ে যতটুকু সম্ভব কাজ করা হচ্ছে।

 রাজনীতি করার কারণে ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে?

তা তো হয়েছেই। আমি মনে করি, ব্যবসা ও রাজনীতি একসঙ্গে চলে না। রাজনীতিবিদের পক্ষে ব্যবসা করা সম্ভব নয়। রাজনীতি ফুলটাইম জব। ব্যবসাও ফুলটাইম। দুটি একসঙ্গে করার অর্থ হচ্ছে, আপনি কোনোটাই ঠিকমতো করছেন না। আর রাজনীতিকে যদি ব্যবসা করার পথ হিসেবে ধরে নেন, তবে সেটা হবে দুর্নীতি। আমি এখন ফুলটাইম রাজনীতি করি। ব্যবসায় নেই ১০ বছর ধরে। মনোযোগটা নেই প্র্যাকটিক্যালি।

আমাদের দেশের যে ব্যবসায়ীরা রাজনীতিবিদ হয়েছেন, তাঁদের অনেককে ব্যবসা করতেও দেখা গেছে।

আগে রাজনীতিতে পেশাজীবীরা আসতেন। ব্যবসায়ীরা ব্যবসায় সফল হওয়ার পর রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন। এখন একটা বড় ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে-রাজনীতিবিদরাই সরাসরি ব্যবসায়ী হচ্ছেন। রাজনীতিবিদ যখন ব্যবসায়ীতে পরিণত হন, তখন একটা প্রশ্ন থেকে যায়। ব্যবসায়ী যাঁরা রাজনীতিতে আসেন, তাঁরা সবাই যে সত্-সেটাও বলা যাবে না। ব্যবসাকে আরো বড় করার জন্য অনেকে রাজনীতিতে আসেন। আবার সত্ ব্যবসায়ীও রাজনীতিতে আসেন কিছু দেওয়ার জন্য। রাজনীতিতে আসার লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশকে দেওয়া, জনগণকে দেওয়া। এখানে নিজের সময়, সম্পদ উত্সর্গ করার একটা বিষয় রয়েছে। দেশের উন্নয়নের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে যে মেধার প্রয়োজন, সেটারও প্রয়োজনীয়তা আছে এখানে। আমি মনে করি, মেধাশূন্য রাজনীতি অনেক বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বিএনপিতে এই মেধার সংকট আছে কি?

মেধার সংকট সব দলেই আছে। পুরো দেশেই সার্বিকভাবে আছে। তবে রাজনীতিতে যথেষ্ট মেধাবী লোক নেই-সেটা বলব না। তাঁরা আছেন এবং আমি মনে করি, বিএনপিতে অনেক বেশি মেধাবী লোকজন আছেন। তাঁদের সঠিকভাবে কাজে লাগানোটাই গুরুত্বপূর্ণ। মেধাভিত্তিক রাজনীতির জন্য একটা পরিবেশেরও প্রয়োজন আছে। দেশে যদি সঠিক রাজনৈতিক পরিবেশ না থাকে, গণতান্ত্রিক, অধিকারভিত্তিক, বাকস্বাধীনতাভিত্তিক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যদি না থাকে, তবে মেধাবী রাজনীতিবিদের জায়গাটা কমে যায়। যারা লোভী, স্বৈরাচার, দুর্নীতিবাজ-তাদের স্পেস বেড়ে যায়।

 ভবিষ্যতে কেমন বাংলাদেশ দেখতে চান?

আমি একটা মুক্ত সমাজ, মুক্ত রাষ্ট্র দেখতে চাই। যেখানে মানুষের ভিন্নমত থাকবে, ভিন্নমতের স্বাধীনতা থাকবে। ভিন্নমতের প্রতি সম্মানও থাকতে হবে। আমার সঙ্গে আরেকজনের মতভেদ হতে পারে; কিন্তু তাঁর প্রতি আমার সম্মান থাকতে হবে।
এই নিউজ মোট   588    বার পড়া হয়েছে


হ্যালোআড্ডা



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.