05:25am  Monday, 30 Mar 2020 || 
   
শিরোনাম
 »  বিনা চিকিৎসায় মারা গেলেন মুক্তিযোদ্ধা আলমাছ উদ্দিন     »  ৩০ মার্চ; বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৭,০৪,০৭৪, মৃত্যু ৩৩,২২০ জন     »  জুমাসহ দেশের সব মসজিদ চালু রাখতে চান আলেম-ওলামারা।     »  অনেক বছর আগে থেকেই করোনাভাইরাস বিদ্যমান ছিল      »  করোনাভাইরাস জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছে : রুহানি     »  গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে শহরে সাবান, মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ     »  শিবগঞ্জে জীবাণূ থেকে রক্ষা পেতে শিবগঞ্জে হ্যান্ড গ্লোবস বিতরন ও স্প্রে      »  শিবগঞ্জে করেনা ভাইরাসে গণসচেতনতা সৃষ্টিতে মনিটরিং টিমের অভিযান অব্যাহত     »  ঘরবন্দী অসহায় মানুষদের পাশে মধুমতি     »  ভোলাহাটে বাড়ছে করোনা প্রতিরোধ সচেতনতা   



১০ বছর পর মানসিক ভারসাম্যহীন শিকলবন্দী আমির আলীকে উদ্ধার করলো প্রশাসন
১৭ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ সফর ১৪৪১



নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের চন্দ্রপুর ওয়াবদা বাজারে মানসিক ভারসাম্যহীন আমির আলীকে ১০ বছর শিকল বন্দী করে টয়লেটে রেখেছিল একমাত্র ছেলে ও তার পরিবার। অবশেষে তাকে উদ্ধার করেছেন নাটোরের গুরুদাসপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার তমাল হোসেন।

আমির আলী নামের হতভাগ্য সেই ব্যক্তি ওয়াবদা বাজারের আমির আলী সুপার মার্কেটের মালিক। বুধবার রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিকল বন্দী আমির আলীকে উদ্ধার করে শিকল ভেঙ্গে তার বাড়িতেই ভাল একটি ঘরে তাকে বাসস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেন। পরবর্তীতে এই রকম অমানবিক কাজ করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
আমির আলির ভাগ্নে রহিম জানান, দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ তার মামার কোন চিকিৎসা না করিয়েই নোংরা এবং স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় বন্দি করে রেখেছিলো তার ছেলে-মেয়েরা এবং স্ত্রী।

আমির আলীর ছেলে মঞ্জু আলী এবং স্ত্রী মনোয়ারা বেগম জানান, আমির আলী ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাকে এমনভাবে বন্দী করে রাখা হয়েছিল। ১৪ বছর আগে তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। তারপর আর কোন চিকিৎসা করা হয়নি। আমির আলীকে নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন জায়গায় বন্দী রাখার ব্যাপারে পরিবারের লোকজন ভুল স্বীকার করেছেন। পরবর্তীতে আর তাকে এমন ভাবে রাখা হবে না বলে ইউএনও ও এলাকাবাসীর কাছে প্রতিজ্ঞা করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেন জানান, দীর্ঘ ১০ বছর আমির আলীকে তার পরিবারের লোকজন একটি অস্বাস্থকর কুঁড়ে ঘরে তাকে শিকল বন্দী করে রেখেছিল। সেই ঘরে বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি জমতো। শুধু তাই নয় যে ঘরে আমির আলীকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল, সেই ঘরেই ছিল তার শোয়ার জায়গা এবং টয়লেট। যে পাত্র দিয়ে টয়লেটের কাজ সারতে হতো সেই পাত্র দিয়েই তাকে আবার পানি পান করতে হতো। ভাঙ্গা কুঁড়েঁ ঘরে পোকা মাকড়ের কামড় খেয়েই আমির আলী কাটিয়েছেন জীবনের ১০টি বছর।
এই নিউজ মোট   1460    বার পড়া হয়েছে


পুরুষ অধিকার



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.