06:52am  Sunday, 26 Jan 2020 || 
   
শিরোনাম
 »  গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শিখছে শিশুরা      »  বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের স্থায়ী আশ্রয় দিতে পারবে না      »  আজ ও আগামীর সেতুবন্ধন বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন      »  ডি ক্যাপ্রিওর বিরুদ্ধে ৩০ কোটি ডলারের মামলা     »  গুলিস্তানে মার্কেট দখল নিতে যুবলীগের হামলা, তাদের বিরুদ্ধে মামলা     »  যত পারেন দুর্নীতি করেন, পরিণাম বিএনপির মত হবে     »  ঢাকা সিটি নির্বাচন-২০২০; বিশ্বমানের ওয়ার্ড করতে চায় মান্নান     »  রবিবার জামালপুর এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী      »  বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে হটলাইন খোলা হয়েছে     »  মুক্তিযোদ্ধা দবির উদ্দিন সুচিকিৎসার অভাবে ভুগছেন    



যে গ্রামকে কাকতাড়ুয়াই বাঁচিয়ে রেখেছে!
৬ নভেম্বর ২০১৯, ২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪১



জাপানের অনেক অঞ্চলই জনসংখ্যা সমস্যায় ভুগছে। তরুণ প্রজন্ম কাজের সন্ধানে ছুটছে শহরে আর বয়স্করা মারা যাচ্ছেন। এ সমস্যায় ভুগছে জাপানের নেগোরোও। সেখানে জনসংখ্যা কমতে কমতে ৩০ এর নিচে চলে এসেছে। কিন্তু এত কম জনসংখ্যা হলেও নেগারো কিন্তু জাপানের অন্য অঞ্চলের মতো জনশূন্য নয়। কারণ গোটা গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা আছে শত শত পুতুল। যেগুলোর দিকে তাকালে মানুষের উপস্থিতিই টের পান পর্যটকরা।   

জাপানের গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা গেছে, দক্ষিণ-পূর্ব জাপানের নেগোরো গ্রামের নানা প্রান্তে প্রায় ৩৫০টি কাকতাড়ুয়া বা মানুষ আদলে তৈরি পুতুল রাখা আছে । ২০০২ সালে সুসকিমি আয়ানো নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা ও চিত্রশিল্পী নিজের গ্রামে ফিরে এসব পুতুল তৈরির কাজ শুরু করেন।

চিত্রশিল্পী সুসকিমি তার জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন জাপানের ওসাকাতে। একটা সময় তিনি খেয়াল করেন, তার জন্মস্থান নেগারোতে জনসংখ্যা কমতে কমতে ধীরে ধীরে তা ভুতুরে স্থানে পরিণত হচ্ছে।

তার বাবা কাকতাড়ুয়ার মাধ্যমে কীভাবে নিজের বাগান থেকে পাখিদের দূরে রাখতে সেটা মনে করলেন সুসকিমি। তিনি ভাবেন, ওই কাকতাড়ুয়ার মতো কিছু তৈরি করে গ্রামের বিভিন্ন স্থানে রাখতে পারলে এটি আর জনশূন্য মনে হবে না।

এরপরই শুরু হলো সুসকিমির মানুষ পুতুল তৈরির কাজ। খড় দিয়ে তৈরি কাকতাড়ুয়াতে আঁকলেন মানুষের মুখ। এরপর সেগুলো রাস্তার পাশে, বাড়ির বাগানে, পরিত্যক্ত ক্লাস রুমে রাখতে শুরু করলেন।

নেগোরোতে মানুষের সংখ্যা কমলেও সুসকিমির তৈরি কাকতাড়ুয়ার শিল্পকর্ম দেখতে হাজারো মানুষ প্রতিদিন ভিড় জমাতে শুরু করলেন।  

শুধু তাই নয়, সুসকিমি প্রতি বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত কাকতাড়ুয়া তৈরির কর্মশালার আয়োজন করেন। আর অক্টোবর জুড়ে কাকতাড়ুয়া উৎসবের আয়োজনও হয় ওই গ্রামে। সূত্র: মেন্টালফ্লোজ

এই নিউজ মোট   446    বার পড়া হয়েছে


ভিন্ন খবর



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.