06:07am  Monday, 06 Jul 2020 || 
   
শিরোনাম
 »  বিদ্যুতের বিলে অবহেলা ও গাফিলতিকরাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা     »  হাসপাতাল, হোটেল আর বাসা এখন চিকিৎসক গুলশানা আক্তারের সংসার     »  এন্ড্রু কিশোরের শারীরিক অবস্থা ক্ষণে ক্ষণে খারাপের দিকে যাচ্ছে     »  ৩২টি দেশের ২৩৯ জন গবেষক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে চ্যালেঞ্জ করল     »  পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক হলে ভার্চুয়াল আদালত বন্ধ হয়ে যাবে     »  বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ৫৯২ সদস্যের মধ্যে কোন নেতা জেলে?     »  ‘শ্বেতাঙ্গই সেরা’; ২৪৪তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্প     »  দেশে ৫৫ জনসহ করোনায় মৃত্যু ২,০৫২ জন, শনাক্ত ২,৭৩৮ জনসহ আক্রান্ত ১,৬২,৪১৭ জন     »  বাগেরহাটে ভাই-ভাই -বাহীনি আতংঙ্ক; নির্ঘুম রাত কাটে কুমারী সহ মধ্য বয়সী নারীদের     »  চার বছরেও নির্মাণ হয়নি জনগুরুত্বপূর্ণ ব্রীজের এ্যাপোচ সড়ক অদৃশ্য!   



ভ্রমনের জন্য একটি আদর্শতম স্থান শান্ত দ্বীপ কার্ডোসো
১৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০২ পৌষ ১৪২৬, ১৯ রবিউস সানি ১৪৪১



দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ দেশ ব্রাজিল। দেশটির সাও পাওলো প্রদেশের দক্ষিণ প্রান্তে ইলহা দো কার্ডোসো নামে কোলাহলমুক্ত শান্ত একটি দ্বীপ রয়েছে।

যারা কিছুদিনের জন্য ব্যস্ত জীবন থেকে পালাতে চান তাদের জন্য এ স্থানটি আদর্শতম একটি স্থান হতে পারে। এ দ্বীপে রাস্তাগুলো আধুনিকতার আদলে তৈরি হয়নি এখনও। এখানে কোনো গাড়ি চলাচল করে না। দ্বীপটিতে কোনো স্কুলবাস নেই। শিশুরা নৌকা করে স্কুলে যাতায়ত করে। সোলারের মাধ্যমে এ দ্বীপে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। তবে রাত সাড়ে এগারোটার পর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে।


অনেক পর্যটকই আজকাল ভিড় করছেন এ দ্বীপে


ইলহা দো কার্ডোসো ব্রাজিলের সুরক্ষিত একটি এলাকা। এখানে যারা জন্ম নিয়েছেন শুধু তারাই এখানে থাকতে পারেন। অবশ্য স্থানীয় কারও সঙ্গে বিয়ে হলে তারাও এখানে থাকার অনুমতি পান।

এ দ্বীপে বর্তমানে অধিবাসীর সংখ্যা মাত্র ৪৮০ জন। তারা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন।

দেশটির অন্যান্য স্থানের তুলনায় এ দ্বীপের জীবনযাত্রা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের।

দ্বীপে ৩৩ হাজার একর জায়গা জুড়ে রয়েছে ম্যানগ্রোভ, সৈকত এবং রাষ্ট্রের সুরক্ষিত বন্য জীবন।

দ্বীপটিতে যাওয়া খুব সহজ নয়। দর্শনার্থীদের অবশ্যই এজন্য সাও পাওলো প্রদেশের দক্ষিণের শহর কানানিয়াতে যেতে হবে। তারপর ফেরিতে করে ওখানে পৌঁছতে হবে।

কানানিয়া থেকে দ্বীপটিতে যেতে অন্তত তিন ঘণ্টা সময় লাগে।


দ্বীপটিতে নেই আধুনিকতার ছোঁয়া:

মুল বসতি থেকে এভাবে দূরে থাকতেই দ্বীপের বাসিন্দারা পছন্দ করেন। এখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে দৃঢ় সম্প্রীতি রয়েছে। পর্যটকদের জন্য দ্বীপে স্থানীয়দের উদ্যোগে অল্প কিছু রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। থাকার জন্যও আবাসনের ব্যবস্থা আছে এখানে।

যে কেউ দ্বীপটিতে ভ্রমণের জন্য যেতে পারেন। তবে এজন্য আগে থেকেই বুকিং দিতে হয়। কারণ এখানে পর্যটকদের জন্য থাকার স্থান খুবই সীমিত।

আধুনিক জীবন থেকে পালাতে আজকাল অনেক পর্যটকই ওই দ্বীপটিতে ভিড় জমাচ্ছেন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ওই দ্বীপের বাসিন্দারা সাগর থেকে ধরা মাছ খান ও পর্যটকদের খাওয়ান। স্থানীয়রা নিজেদের লাগানো ফল, শাকসবজি, শস্য খেয়ে জীবনযাপন করেন।


এই নিউজ মোট   3628    বার পড়া হয়েছে


ভ্রমণ



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.