09:15am  Friday, 21 Feb 2020 || 
   
শিরোনাম



আবারো আদালতের তোয়াক্কা না করে জমি অধিগ্রহনের প্রাপ্য পাওয়ানাদারদের বঞ্চিত করল নওগাঁ ভূমি অফিস




এভাবে যদি বিনমিয় আর ক্ষতার অপব্যবহার বাড়তে থাকে তাহলে হয়তো সোনার বাংলা না হয়ে ছালির বাংলাদেশ হতে সময় লাগবেনা।

বিশেষ প্রতিবেদক: গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে oklnews24nd.com এর অনুসন্ধানি পাতায় নওগাঁ জেলা ভূমি অধিগ্রহণ অফিসের দুনীতি নিয়ে “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য এবং আদালতের তোয়াক্কা না করে ১৩ জনকে বঞ্চিত করল নওগাঁ ভূমি অফিস” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। তার পর-পর-ই নওগাঁ ভূমি অফিসের অধিগ্রহণ বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ আসতে থাকে ওকে নিউজ টুয়েন্টিফোর বিডি ডট কম এর অফিসে। সেই সকল অনিয়মের বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরী করার অনুমতি চায় প্রতিবেদকরা। এর মধ্যে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে জমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগটি উল্লেখ্যযোগ্য। দুঃখের বিষয় হলো অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায় ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ইং জমি অধিগ্রহণে বঞ্চিত ব্যাক্তিদের অভিযুক্ত তখনকার ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা যোবায়ের হোসেন-ই ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে জমি অধিগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগের প্রধান হোতা। সবচাইতে বড় বিষয় হলো শুধুমাত্র মিথ্যে দলিলে জমির মালিকদের মাত্র ১০ লক্ষ্য টাকার জমির মূল্য দিলেন ১,০৪,০০০০০/= (এক কোটি চার লক্ষ্য) টাকা। মানে একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের জন্য একজনকে দেখিয়ে সরকারের সাথে দুনীর্তি করলেন প্রায় ১১ (এগার) কোটি টাকা। 

অনুসন্ধানে জানা যায়, ভূমি অধিগ্রহণ অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে আর্থিক লেনদেনে সন্তুষ্ট করার প্রেক্ষিতেই মানষিক রুগীর কাছ থেকে ভূয়া দলিলকৃত জমির মালিককে গত ১০/১২/২০১৮ ইং তারিখে ১,০৪,০০০০০/= (এক কোটি চার লক্ষ্য) টাকার চেক প্রদান করেন তৎকালীন ভূমি অধিগ্রগণ কর্মকর্তা। তবে, বিষয়টি জানতে পেরে জমির প্রকৃত মালিক পক্ষের নুরুল ইসলাম মন্টু এবং মোছাঃ তাহমিনা বাদী হয়ে ১৩/১২/২০১৮ ইং তারিখে নওগাঁ জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান বরাবর লিখিত অভিযোগ দাযের করলে জেলা প্রশাসক টাকা উত্তোলন বন্ধ করে তৎকালীন ভূমি কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। জেলা প্রশাসকের আদেশবলে ভূমি অধিগ্রহণ অফিস্যার জয়া মারিয়া পেরেরা ১৯/১২/২০১৮ ইং তারিখে শুনানি করেন এবং জয়া মারিয়া স্বাক্ষরিত ২৭/১২/২০১৮ ইং তারিখে দলিল যাচাই বাছাই এর জন্য নওগাঁ জেলার পত্নিতলা উপজেলার সাব-রেজিস্টারকে নির্দেশের পাশাপাশি ৪/১/২০১৯ তারিখে পত্নিতলা ভূমি সহকারী কমিশনারকে দলিলের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দেন। এরই মধ্যে জয়া মারিয়া পেরেরা অন্যত্র বদলি হয়ে যান, ভূমি অধিগ্রহণ অফিস্যার হিসেবে জয়া মারিয়ার দপ্তরে স্থলাবিষিক্ত হন যোবাযের হোসেন ।

যোবায়ের হোসেন ভূমি অধিগ্রহণ অফিসার হিসেবে যোগদানের পর  বিষয়টি জানতে পেরে ভূক্তভোগী জমির প্রকৃত মালিকগণ যোবাযের আহমেদের সাথে দেখা করেন এবং অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবিত জমি নিয়ে বাটোয়ারা মামলা  নং(২১০/১৮)(৮০/৬ বা: মা:) এর কাগজপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে অবহিত করলে যোবায়ের হোসেন ভূক্তভোগীদের সান্তনা দিয়ে বলেন যে, মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাউকেই ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপুরনের অর্থ প্রদান করা হবেনা। কিন্তু এর পর কোন এক সময় জমির প্রকৃত মালিকদের না জানিয়ে এবং কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে জাল দলিলকৃত জমির ভূয়া মালিক (ক) আল মামুন গোলাপ, পিতা : মৃত আব্বাস আলী এবং (খ) ফজলু সরকার, পিতা: মৃত- হাফিজ উদ্দিন সরকার, মদইল, পত্নিতলা, নওগাঁ বরাবরা ক্ষতিপুরনের ১কোটি চার লক্ষ্য ৮৫ হাজার ৯২৮ টাকা সমপরিমান চেক প্রদান করেন ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা যোবায়ের হোসেন ।এতে করে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা যোবায়ের হোসেন সার্বেয়ারের সহযোগীতায় অনৈতিকভাবে অর্থ লেন-দেনের মাধ্যমে মিথ্যে দলিলে জমির মালিকদের মাত্র ১০ লক্ষ্য টাকার জমির মূল্য দিলেন ১,০৪,৮৫,৯২৮/=।একটি ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে জমি অধিগ্রহণের জন্য একজনকে দেখিয়ে সরকারের সাথে দুনীর্তি করলেন প্রায় ১১ (এগার) কোটি টাকা। কারন, এই জমির প্রকৃত মূল্য মাত্র দশ লক্ষ্য টাকা। 

দুঃখের বিষয় হলো যোবায়ের আহমেদ কতৃক ভূয়া দলিলে জমির মালিকদের ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপুরনের অর্থ প্রদানের বিষয়টি প্রকৃত মালিকপক্ষ জানতে পেরে কাকে এবং কিসের ভিত্তিতে ক্ষতিপুরনের চেক হস্তান্তর করা হল তার নকল পাবার জন্য ২/১০/২০১৯ ইং তারিখে এল. এ. কেস নং ১৬-১৭-১৮ এর আবেদন পত্র, আদেশ, নোটিশ এবং যাবতিয় কাগজপত্রের অনুলিপিসহ ভূমি অধিগ্রহণ অফিসে যোগাযোগ করলেও এখনো পর্যন্ত ভূক্তভোগীদের কোন নকল সর্বরাহ করছেনা বা এই ব্যপারে কোন কিছু জানাতে রাজি নন ভূমি অধিগ্রহণ অফিস। তবে উত্তম কুমার রায় (এডিসি রাজস্ব) কে অবহিত করলে তিনি খতিয়ে দেখার আশ্বাষ দেন এবং জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করতে বলেন।

অনুসন্ধানে সত্যতা যাচাযের জন্য ৫/২/২০২০ ই্ং তারিখ অফিস সময়ে অনেকবার চেষ্টা করার পরে অফিসিয়্যাল কাজে ব্যাস্ততার জন্য কথা না বলতে পারায় ৬/২/২০২০ ইং তারিখ রাত ১০ ঘটিকার দিকে জয়া মারিয়া পেরেরার সাথে ফোন মারফত ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপুরনের অর্থ প্রদানের বিষয়টি কতটুকু জানেন জানতে চাইলে জয়া মারিয়া পেরেরা বলেন, এলএ শাখার বিষয়টিতো? হ্যা জানালে তিনি বলেন, এল. এ. কেস নং ১৬-১৭-১৮ বিষয়টি সত্য। তবে জমির বিষয়টি পুরোপুরি মনে নেই।

oknews24bd.com জানান, মধইল মৌজার জেএল নং ১০৯ এর রোয়েদাদ নং ১, খতিয়ান নং ১৪ এর দাগ নং ১৫ থেকে ০.৪০ একর জমির ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে অধিগ্রহণের ক্ষতিপুরনের বিষয়। তখন জয়া মারিয়া বলেন, আমি যখন পত্নিতলায় ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করি তখন জেলা প্রশাসক স্যার এই জমির প্রকৃত মালিকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ভূমি অধিগ্রহনের ক্ষতিপুরনের দেয়া চেক স্থগিত করে দেন এবং আমাকে যেভাবে আদেশ করেন আমি সেভাবেই দু’পক্ষকে ঢেকে শুনানি করি এবং প্রমানিত হয় যে, যাদেরকে চেক প্রদান করা হয়েছিল তারা এক মানষিক প্রতিবন্ধির কাছ থেকে জমির ক্রয়ক্রিত দলিল দেখিয়ে চেক নিয়ে নিয়েছিল, তখন দু’পক্ষকে জানিয়ে দেই মামলা শেষ হবার আগ পর্যন্ত ক্ষতিপুরনের অর্থ কাউকে দেয়া যাবেনা। আসলে যারা জমির প্রকৃত মালিক তারা ক্ষতিপুরনের চেক পাননি। পরে আমি নওগাঁ জেলার পত্নিতলা উপজেলার সাব-রেজিস্টারকে নির্দেশের পাশাপাশি নিদ্রিষ্ট তারিখে পত্নিতলা ভূমি সহকারী কমিশনারকে দলিলের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দেই, তবে তারিখটি আমার এখন মনে নেই। কিন্তু তার পর-পরই আমার প্রমোশনসহ বদলির আদেশ আসে, আমাকে চলে আসতে হয় অন্যত্র।

আপনার জায়গায় যিনি আসছেন তিনি কি মামলা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ভূমি অধিগ্রহনের অর্থ দিতে পারে কিনা জানতে চাইলে জয়া মারিয়া পেরেরা বলেন, যেহেতু মামলা চলমান সেই প্রেক্ষিতে কোর্টের রায় ছাড়া কোন প্রকারেই কাউকে অর্থ প্রদান করতে পারেনা, তবে তিনি কিভাবে দিলেন তা আমার বোধগম্য নয়। 

আবারো সত্যতা যাচাযের জন্য ৭/২/২০২০ ইং তারিখ রাত ৯টার পর oknews24bd.com এর সাথে যোবাযের হোসেনের সাথে ফোন মারফত কথা হয়। বিষয়টি উপস্থাপন করা হলো-

oknews24bd.com: যোবাযের সাহেব আমি ওকে নিউজ টুয়েন্টিফোর বিডি ডট কম থেকে বলছি, আপনি নওগাঁ থাকা অবস্থায় ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপুরনের বিষয়ে কতটুকু জানেন?

যোবাযের: কোথাকার এবং কোন বিষয়টা একটু খুলে বলেন!

oknews24bd.com: নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপুরনের বিষয়

যোবাযের: অনেক দিন আগের বিষয়তো খুব বেশি একটা মনে নেই, তবে ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে জমি অধিগ্রহণের একটা বিষয় ছিল।

oknews24bd.com: একটা না আরো বিষয় ছিল, এখন কথা বলছি নওগাঁ জেলার পত্নিতলা উপজেলার, মধইল মৌজার জে,এল নং ১০৯, রোয়েদাদ নং ১, খতিয়ান নং ১৪, দাগ নং ১৫ এর ০.৪০ একর জমি ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে অধিগ্রহণের ক্ষতিপুরনের বিষয়ে জানতে চাই।

যোবাযের হোসেন: তখন আমি নওগাঁ ডিসি অফিসে ছিলাম, এইটা নিয়ম মেনেই আমি ক্ষতিপুরনের টাকা দিয়েছি।

oknews24bd.com: আপনার আগেতো জয়া মারিয়া পেরেরা দিতে পারেনি মামলা থাকার কারনে, তাহলে আপনি চলমান মামলা রেখে কিভাবে ক্ষতিপুরনের টাকা দেন?

যোবাযের হোসেন: মামলা শেষ হয়ে গিয়েছিল তখন আমি তাদেরকে টাকা দিয়ে দেই।

oknews24bd.com: মামলা যে চলমান সেইটা জমির মূল মালিকরা অপনাকে জানিয়েছিল এবং অনুরুধ করেছিল মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে ক্ষতিপুরনের অর্থ না দিতে, তখন আপনি তাদেরকে বলেছিলেন মামলা শেষ না হলে কাউকে ক্ষতিপুরনের অর্থ দেয়া যাবেনা, তারপর আপনি মূল মালিকদের না জানিয়েই ভূয়া দলিলদারদের কিভাবে চেক দিয়ে দিলেন?

যোবাযের হোসেন: হ্যা বলেছিলাম, পরে আমি নিয়ম মেনেই টাকা দিয়ে দিয়েছি, এখন আপনার যা লেখার লেখেন।

oknews24bd.com: আপনিতো “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য এবং আদালতের তোয়াক্কা না করে ১৩ জনকে বঞ্চিত করল নওগাঁ ভূমি অফিস”, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে এই সংবাদটি করার সময়ও আপনাকে ফোন দেয়ার পর আপনি বলেছিলেন নিয়ম মেনেই পাসপোর্ট অফিসের জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপুরনের টাকা দিয়েছেন, এখনতো গত ১৬/১/২০২০ তারিখে আপনাকে ঢেকে এবং বাদীদের নিয়ে তদন্ত হয়েছে।

যোবাযের হোসেন: হ্য হয়েছে, এইটার বিষয়ে হলেও আমি আবার যাব, তাতে কি? বিষয়টা যোবায়েরের কাছে একেবারেই তুচ্ছ মনে হলো।

oknews24bd.com: আগের বিষয়টার অফিসিয়্যার কতটুকু হয়েছে জানেন?

যোবাযের হোসেন: সেইটার বিষয়ে কিছু হয় নাই, হবেও না। মনে হল যোবাযের হোসেনের অনেক ক্ষমতা রয়েছে, এমন দুর্নীতি তাকে কোন কিছুই করতে পারবেনা।

oknews24bd.com: আপনার মাধ্যমে (ক) আল মামুন গোলাপ, পিতা : মৃত আব্বাস আলী এবং (খ) ফজলু সরকার, পিতা: মৃত- হাফিজ উদ্দিন সরকার, মদইল, পত্নিতলা, নওগাঁ বরাবরা ক্ষতিপুরনের ১কোটি চার লক্ষ্য ৮৫ হাজার ৯২৮ টাকা সমপরিমান চেক প্রদান করেন তারাতো জমি কিনেছিল একজন প্রতিবন্ধির নিকট থেকে সেইটা কি আপনি যাচাই বাছাই করে দেখেছিলেন?

যোবাযের হোসেন: ভাই বিষয়টা আমি নিয়ম মেনেই কাজ করেছি।

oknews24bd.com: তাহলে প্রকৃত মালিকদের না জানিয়ে কেন দিলেন?

যোবাযের হোসেন: তাদেরকে ঢেকেছি তারা আসে নাই, পরে আল মামুন গোলাপ ও ফজলু সরকারকে ক্ষতিপুরনের অর্থ দিয়েছি। আপনি লিখে দেন আমি নিয়ম মেনেই ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে অধিগ্রহণে ক্ষতিপুরনের অর্থ দিয়েছি।

oknews24bd.com: নিয়ম মেনেই যখন চেক দিয়েছেন তাহলে বাদী পক্ষ আপনার নিকট জানতে চেয়েছিল আপনি তাদের কেন কোন তথ্য এবং কোন নকলও দেন নাই কেন? আমাদের কাছে সকল দরখাস্ত এবং নোটিশের কপি আছে।

যোবাযের হোসেন: ভাই আমি সব নিয়ম মেনে টাকা দিয়েছি, তার চেয়ে বেশি কিছু আমি বলতে পারবনা। আপনাদের যা লেখার লিখেন।

উল্লেখ্য যে, নওগাঁ জেলার পত্নিতলা উপজেলার মধইল মৌজার ১৪ নং খতিয়ানে ১৫ নং দাগে ১.৬২ একর জমির মধ্যে পৈত্রিক সুত্রে ০.৬৩২৫ একর জমির মালিক আনিসার রহমান। আনিসার রহমান মৃত্যুবরন করার পর মালিক হন ওয়ারিশদার স্ত্রী উজিরান, পুত্র-মনসুর, কন্যা নুরজাহান, শামসুন্নাহার এবং বিলকিস। সেই জমি থেকেই ০.৪০ একর জমি নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে জমি অধিগ্রহণ করে সরকার। কিন্তু পরবর্তি ওয়ারিশদারদের মধ্যে একজন মানষিক প্রতিবন্ধী থাকে।এই মানষিক প্রতিবন্ধীর নিকট থেকে আল মামুন গোলাপ, পিতা : মৃত আব্বাস আলী এবং (খ) ফজলু সরকার, পিতা: মৃত- হাফিজ উদ্দিন সরকার, (মদইল, পত্নিতলা, নওগাঁ) নামে দু’জন দলিল করে নেন। সেই দলিল বলে প্রকৃত মালিকদের না খুঁজে চলমান মামলা থাকার পরেও আদালতের তোয়াক্কা না করে ভূমি অধিগ্রহণ অফিস্যার যোবাযের হোসেন বিনিময় সন্তুষ্টি বা ভূলের জন্যই হোক আবারো বঞ্চিত কলর প্রকৃত জমির মালিকদের। দুঃখের বিষয় হলো কাকে এবং কিসের ভিত্তিতে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ‘বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র’ স্থাপনে জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপুরনের অর্থ দিলেন তার কোন নকল বা অনুলিপি বাদী বা ভুক্তভোগীকে দিচ্ছেনা নওগাঁ ভূমি অফিস। একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের জন্য যদি একজনকে দেখিয়ে সরকারের সাথে দুনীর্তি করে প্রায় ১১ (এগার) কোটি টাকা, তাহলে যোবাযের হোসেনের মতো ভূমি অধিগ্রহণ অফিস্যাররা তার চাকুরীর বয়সে মানুষকে ঠকাবেন কতশত কোটি টাকা আর সরকারের সাথে দুর্নীতি করবেন কত হাজার কোটি টাকা তার প্রশ্ন থেকে যায়। এভাবে যদি বিনিময় আর ক্ষমতার অপব্যবহার বাড়তে থাকে তাহলে হয়তো সোনার বাংলা না হয়ে ছালির বাংলাদেশ হতে সময় লাগবেনা। 

চলমান থাকবে

গোবিন্দগঞ্জে বাঁধ নির্মাণে সরকারী অর্থ লোপাট প্রশাসনের নজরদারী নেই


এই নিউজ মোট   2112    বার পড়া হয়েছে


অনুসন্ধানী



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.