06:17am  Friday, 05 Jun 2020 || 
   
শিরোনাম
 »  মসজিদের ইমামকে জুতার মালা পড়িয়ে ঘোরালেন ইউপি চেয়ারম্যান     »  করোনা রোগী না হলেও লাশ আঞ্জুমান মফিদুলে হস্তান্তর করবে মুগদা জেনারেল হাসপাতাল      »  খুব দ্রুত নিয়োগ হবে ৩ হাজার মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট      »  ‘করোনা ট্রেসার বিডি’ অ্যাপ চালু করল বাংলাদেশ     »  উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান সেরাদের মধ্যে ৫-এ মুশফিক     »  শিবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীর মৃত্যু     »  শিবগঞ্জে ৮১ হাজার অসহায় ও দু:স্থ পরিবার পেল করোনা ভাইরাস উপলক্ষে সহায়তা     »  সোনামসজিদ বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু     »  সমালোচনার মধ্যেও এলাকায় নিবেদিত সেরা ১০ জনপ্রতিনিধি     »  পুলিশি নিপীড়নে মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভে সমর্থন দিল ট্রাম্প কন্যা   



রেমিট্যান্স পাঠানো অব্যাহত; এপ্রিলেও ৯ হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা
৯ রমজান ১৪৪১, রবিবার, ০৩ মে ২০২০, ২০ বৈশাখ ১৪২৭



নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে অনেক দেশেই লকডাউন চলছে। এর মধ্যেও দেশের বাইরে থাকা বাংলাদেশিরা আয় (রেমিট্যান্স) পাঠানো অব্যাহত রেখেছেন। গত এপ্রিলে প্রবাসীরা ১০৮ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যার পরিমাণ বাংলাদেশি টাকায় ৯ হাজার ১৮৮ কোটি টাকা।

সারা দেশের ব্যাংক শাখা, এজেন্ট ব্যাংকিং ,মোবাইলে আর্থিক সেবা (এমএফএস) ও এনজিওদের মাধ্যমে তা পৌঁছে যাচ্ছে সুবিধাভোগীদের কাছে। গত মার্চের পুরো সময়ে এসেছিল ১২৮ কোটি ৬৮ লাখ ডলার ও গত বছরের এপ্রিলে এসেছিল ১৪৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সে হিসাবে আয় কমেছে, তবে ডলার পাঠানো অব্যাহত রেখেছেন প্রবাসীরা, বিশেষত শ্রমিকেরা। এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৩১১ কোটি ডলার।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশি শ্রমিকেরা আছেন, এমন অনেক দেশ এখনো লকডাউন হয়নি। আবার লকডাউন হলেও পরিবার চালাতে ঋণ করে হলেও অনেকে টাকা পাঠাচ্ছেন। তবে এভাবে কত দিন চলবে, তা অনিশ্চিত। এখনই প্রবাসীদের সহায়তায় সরকারের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। আবার যাঁরা ফিরে আসছেন, তাঁদের সহায়তায় তহবিল গঠন প্রয়োজন।

জানা গেছে, বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে ভালো সূচক ছিল প্রবাসী আয়। করোনার কারণে কমে গেছে প্রবাসী আয়। প্রবাসী-অধ্যুষিত দেশগুলো ভাইরাসে নাস্তানাবুদ, দীর্ঘদিন ধরে চলছে লকডাউন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ আয় এসেছে ১২৮ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। গত বছরের মার্চ মাসে এসেছিল ১৪৫ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। ফলে গত মার্চেই আয় কমে প্রায় ১২ শতাংশ। গত ফেব্রুয়ারিতে এসেছিল ১৪৫ কোটি ডলারের আয়। আর দেশে গত ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় আসে ১৬৯ কোটি ডলার, যা জানুয়ারিতে ৫ কোটি ডলার কমে নেমে যায় ১৬৪ কোটি ডলারে।

জানা গেছে, যেসব দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আসে, সেসব দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রেমিট্যান্স হাউস ও ব্যাংকগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশি শ্রমিকেরাও পড়েছেন বিপদের মুখে। দেশের প্রবাসী আয় আহরণের শীর্ষ ১৫টি উৎস দেশ হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, ইতালি, বাহরাইন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া ও জর্ডান।

বৈধ পথে প্রবাসী আয় বাড়াতে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা ঘোষণা করে সরকার। সেই অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে প্রবাসীরা প্রতি ১০০ টাকার বিপরীতে ২ টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন। বাজেটে এ জন্য ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। এর ফলে প্রবাসী আয় আসা বেড়ে গিয়েছিল। এখন তাতে বড় আঘাত হানল করোনাভাইরাস।
জামানত ছাড়াই নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ঋণ দিবে সরকার

এই নিউজ মোট   509    বার পড়া হয়েছে


প্রবাস



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.