06:08am  Friday, 05 Jun 2020 || 
   
শিরোনাম
 »  মসজিদের ইমামকে জুতার মালা পড়িয়ে ঘোরালেন ইউপি চেয়ারম্যান     »  করোনা রোগী না হলেও লাশ আঞ্জুমান মফিদুলে হস্তান্তর করবে মুগদা জেনারেল হাসপাতাল      »  খুব দ্রুত নিয়োগ হবে ৩ হাজার মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট      »  ‘করোনা ট্রেসার বিডি’ অ্যাপ চালু করল বাংলাদেশ     »  উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান সেরাদের মধ্যে ৫-এ মুশফিক     »  শিবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীর মৃত্যু     »  শিবগঞ্জে ৮১ হাজার অসহায় ও দু:স্থ পরিবার পেল করোনা ভাইরাস উপলক্ষে সহায়তা     »  সোনামসজিদ বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু     »  সমালোচনার মধ্যেও এলাকায় নিবেদিত সেরা ১০ জনপ্রতিনিধি     »  পুলিশি নিপীড়নে মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভে সমর্থন দিল ট্রাম্প কন্যা   



সুন্দরবনের কারণে আবারো রক্ষা পেল উপকূলবাসী
২৮ রমজান ১৪৪১, শুক্রবার, ২২ মে ২০২০, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭



স্টাফ রিপোর্টার,বাগেরহাট: বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তান্ডব থেকে উপকূলবাসীকে আবারো বুক পেতে রক্ষা করেছে সুন্দরবন। বাংলাদেশের জন্য সুন্দরবনকে সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদই বলা চলে। কোনো কিছুর বিনিময়েই যার কোনো ক্ষতি করা যায় না। যুগ যুগ ধরে ভয়ংকর, প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় থেকে এ দেশ ও জাতিকে রক্ষা করেছে এই সুন্দরবন। পরম এ বন্ধুটি আমাদের দেশের জন্য বারবার এনে দিয়েছে গৌরব ও সম্মান, দিয়েছে সুরক্ষা। সুন্দরবনের কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি বা কোন প্রানহানী ঘটেনি বাগেরহাটের  শরণখোলা  মোরেলগঞ্জেও মোংলায়। তবে সুন্দরবনের বণ্যপ্রানী, গাছপালা ও বন বিভাগের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বনসংলগ্ন বলেশ্বর নদীর টেংরা হাজির খালের মোহনায় একটি মৃত হরিণ পাওয়া গেছে।
২০০৭ সালের প্রলয়ঙ্কারী ঘর্ণিঝড় সিডর এবং পরবর্তীতে আইলা, মহাসিন, নার্গিস, ফনি ও বুলবুলের মতো ঘর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করেছিল সুন্দরবন। এবারেও তার কোন ব্যতিক্রম ঘটেনি। ঘুর্ণিঝড় আম্পানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করেছে শরণখোলার মানুষকে। তবে উপজেলার সাউথখালীতে নির্মানাধীন বেড়িবাঁধের দুই কিলোমিটার ভেঙ্গে তিনটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসসিএফ) মোঃ জয়নাল আবেদিন জানান, সুন্দরবন প্রতিবারের মতো এবারেও উপকূলবাসীকে রক্ষা করেছে। প্রতিবার ঘুর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসে সুন্দরবনের ক্ষতি হয়। গাছপালার ক্ষতি হলে নিজেই আবার তা পুষিয়ে নেয়। তবে প্রতিবারেই বন বিভাগের অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। গত বছরে ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামত করে উঠতেই এবছর আবার আম্পানের আঘাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এসিএফ জানান, বুধবারের ঝড়ে সুন্দরবনের কটকা অভয়ারন্য কেন্দ্রের জেটি, বেশ কিছু ঝাউগাছ, বনরক্ষীদের আবাসীক ঘর ভেঙ্গে গেছে। এছাড়া কটকা, দুবলা, কচিখালী, সুপতি, শেলারচরের সাতটি পুকুর লবন পানিতে ডুবে গেছে। এছাড়া এসব জায়গার বন অফিসের আটটি জেটি, তিনটি রাস্তা, সাতটি ঘর বিধ্বস্ত ও কিছু জব্দকরা সুন্দরী গাছ ভেসে গেছে। এসব ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনের জন্য তারা বন পরিদর্শনে নেমেছেন।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান, ঘুর্ণিঝড়ে সুন্দরবনে কোন বন্যপ্রানী মারা গেছে কিনা এবং গাছপালা-অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনের জন্য শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের এসিএফদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের পৃথক দুইটি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। তারা তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দাখিল করবেন।

এদিকে সামাজিক বন বিভাগের পাথরঘাটা রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, সুন্দরবনে ঝড়ের কবলে পরে মারা যাওয়া একটি চিত্রল হরিন বলেশ্বর নদীর টেংরা হাজির খালের মোহনায় পাওয়া গেছে। পরে হরিণটি উদ্ধার করে চামড়া খুলে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।সাম্প্রতিক কালের ঘূর্ণিঝড় ফণীতে প্রাণহানি অতীতের তুলনায় সীমিত ছিল। এর প্রধান কারণ সুন্দরবন। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের পক্ষেও সুন্দরবনের ‘প্রাকৃতিক সুরক্ষা প্রাচীর’ ভেদ করা সহজতর হয়ে ওঠে না। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সময়েও সুন্দরবন পয়েন্টে এসে এর গতি লক্ষণীয় হারে কমে গিয়েছিল। আরেকটু পর্যালোচনা করলেই দেখা যাবে, ২০০৭ সালে সিডরে প্রাণহানির সংখ্যা ছিল সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি; অন্যদিকে ২০০৯ সালের আইলায় এই সংখ্যা ছিল সাড়ে তিন শর কম। অথচ দুটি ঘূর্ণিঝড়েরই মাত্রা ছিল সমপর্যায়ের। তাহলে উভয়ের প্রাণহানি সংখ্যার এ বিশাল পার্থক্যের কারণ কী? এর উত্তর কেবলই একটি—সুন্দরবন। সিডর আঘাত হেনেছিল দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে, যেখানে সুন্দরবন নেই। আর আইলা আঘাত হেনেছিল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে, যেখানে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সুন্দরবন।

জনদূর্ভোগ: ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ঝড়ের তীব্রতা যখন চরমে ঠিক তখনই ভাটা, বেঁচে যায় অনেকটা উপকূলীয় এলাকা

সাড়ে তিন হাজার পরিবারের মাঝে বিএনপি নেতার খাদ্য সামগ্রী বিতরন
এই নিউজ মোট   190    বার পড়া হয়েছে


জনদূর্ভোগ



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.