04:50pm  Friday, 03 Jul 2020 || 
   
শিরোনাম
 »  করোনা টিকা উদ্ভাবন করল গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড     »  স্বাধীনতা দিবস ১৫ আগস্টই ভারত বাজারে আসছে করোনার ভ্যাকসিন!     »  দেশে ৪২জনসহ করোনায় মৃত্যু ১,৯৬৮ জন, শনাক্ত ৩,১১৪ জনসহ আক্রান্ত ১,৫৬,৩৯১জন     »  দিনাজপুরে করোনায় দু'জনের মৃত্যু, নতুন করে ৩৬ জন আক্রান্ত     »  নারী ইউপি সদস্য বিউটি ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচতে প্রশাসনের সাহায্য চান     »  ছাত্রীদের মাঝে কিশোর বান্ধব টয়লেট সামগ্রী বিতরণ     »  নারী ইউপি সদস্যের মায়ের নামে ১৭ বছর ডাবল ভাতা ইস্যুকারায় বহিষ্কারের সুপারিশ     »  স্বামী ছাড়াই কন্যা সন্তানের জন্ম; কিশোরী পাচ্ছেনা স্বামী পরিচয়, সন্তান পাচ্ছেনা পিতৃ পরিচয়     »  ৩ জুলাই ২০২০- শুক্রবার চ্যানেল আইতে দেখতে পাবেন     »  ভোলাহাটে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত খামারীদের ঔষধ ও প্রাণীস্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ   



পলাশবাড়ীতে জাহেদা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এর সাইনবোর্ডের উদ্বোধন।
১০ জুন ২০২০, বুধবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১৭ শাওয়াল ১৪৪১



পলাশবাড়ী প্রতিনিধিঃ-এস এস গ্রুপের পরিচালনায় পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের বড় শিমুলতলা সরকার পাড়ায় প্রস্তাবিত জাহেদা মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাইনবোর্ড এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

বড় শিমুলতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাফ্ফর রহমানের সভাপতিত্বে ৮ জুন সোমবার সকালে সাবদার রহমানের আয়োজনে  গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের বড় শিমুলতলা সরকার পাড়া বাজার সংলগ্ন ২০১৬ সালে প্রস্তাবিত জাহেদা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট একটি সেবামুলক প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভ উদ্বোধন করেন,প্রধান অতিথি কিশোরগাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মাহাবুব প্রধান।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৃনাল কান্তি রায়,খিজির উদ্দিন,অশ্বিনী চন্দ্র রায়, আমিনুর রহমান।অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,সহকারী শিক্ষক আঃ রউফ সরকার, শাহারুল ইসলাম,মোস্তাক আহমেদ,প্রভাষক দিপেশ চন্দ্র রায়,শহিদুল ইসলাম,গোলাম মোস্তফা,পলাশ সরকার,শাহজাহানমিয়া,ইমরোজ হাসান বাপ্পা সরকার,নাবিদুর রহমান রাশা।

পরে মরহুম পিতামাতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন ইমাম আনোয়ারুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, পলাশবাড়ীতে নিভৃতে নম্র,ভদ্র স্বভাবের একজন সৎ,সাহসী,ত্যাগী হাস্যজ্জোল সাদা মনের মানুষ অধ্যাপক সাবদার রহমান।তিনি আড়ালে নিভৃতে থেকে জনকল্যানমুলক বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড করাসহ এলাকার গরীব অসহায় নিরীহ মানুষ গুলোর বিপদে আপদে সুখে দুঃখে পাশে দাড়ানো এ যুগের এক ব্যতিক্রম মানুষ অধ্যাপক সাবদার রহমান।

সাবদার রহমানের জন্ম ও পারিবারিক জীবনঃ- সৎ নির্ভিক হাস্যজ্জোল সাদা মনের একজন মানুষ অধ্যাপক সাবদার রহমান এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৫ জানুয়ারী ১৯৬২ সালে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের বড় শিমুলতলা গ্রামের জন্মগ্রহন করেন।তার পিতা ও মাতা ছিলেন মরহুম মফিজ উদ্দিন সরকার ও মাতা মরহুম জাহেদা বেগম।তার মরহুম পিতা ছিলেন,ব্রিটিশ প্রিরিয়ডে একজন পঞ্চায়েত,পাকিস্তান প্রিরিয়ডে চেয়ারম্যান, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ প্রিরিয়ডে ইউনিয়ন প্রশাসক নিযুক্ত হন।১৯৭০ সালে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে কিশোরগাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নির্বাচনী কনভেনর ছিলেন।মরহুম মফিজ উদ্দিন সরকার ও মাতা মরহুম জাহেদা বেগম আশির দশকে মারা যাওয়ার পুর্বে রেখে যান।৭ ছেলে,৩ মেয়ে, নাতী-নাতনী,বন্ধু-বান্ধব আত্মীয় স্বজনসহ অনেক গুনগ্রাহী।তিনি ১০ ভাই বোনের মধ্যে পঞ্চম।

শিক্ষা জীবনে সাবদার রহমান ১৯৭৭ সালে পলাশবাড়ী এসএম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক পাশ করেন।১৯৭৭-১৯৭৯ পর্যন্ত কারমাইকেল কলেজ থেকেএইচ,এস,সি পাশ করেন।১৯৮০ সালে স্নাতক ডিগ্রী অধ্যায়নরত অবস্থায় চাকুরী জীবনে তিনি প্রথমে নৌবাহিনীতে যোগদান করেন।চাকুরীতে যোগদানের পর প্রশিক্ষন চলাকালীন তিনি পাঁয়ে আঘাত প্রাপ্ত হয়ে ডিসকোয়ালিফাইড হন।চাকুরী থেকে ফিরে এসে তিনি ১৯৮২ সালে অধ্যায়ন করে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রী লাভ করেন।১৯৮৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম,এ ডিগ্রী লাভ করেন।এবং ভাল ফলাফল নিয়ে সুশিক্ষিত হয়ে সফলতা লাভ করেন।পড়াশুনা শেষ করে তিনি ১৯৯১ সালে সাদুল্যাপুর ডিগ্রী কলেজে প্রভাষক হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করেন।চাকুরীতে যোগদানের পর থেকে সুনামের সাথে তিনি অদ্যবধি কর্মরত রয়েছেন।সময়ের ব্যবধানে সাদুল্যাপুর ডিগ্রী কলেজ এখন সাদুল্যাপুর সরকারী কলেজে উন্নীত হয়েছে।

অধ্যাপক সাবদার রহমান পারিবারিক জীবনে তিনি ৩ সন্তানের জনক।তার প্রথম ছেলে ইমরুল কায়েস বাপ্পি সরকার তিনি বুয়েট কম্পিউটার ইন্জিনিয়ার।পড়াশুনা শেষ করে বর্তমানে তিনি বিশ্বের প্রথম শ্রেনীর নামীয় এক কোম্পানিতে কর্মরত রয়েছেন।তিনি একজন আমেরিকা প্রবাসী।দ্বিতীয় ছেলে ইমরোজ হাসান বাপ্পা সরকার তিনিও কম্পিউটার ইন্জিনিয়ারিং পাশ করেছেন।তৃতীয় ছেলে নাবিদুর রহমান রাশা সে বর্তমানে পলাশবাড়ী এস এম মডেল পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসিতে অধ্যায়ন করছেন।তার স্ত্রী মিসেস নাসরিন সুলতানা।তিনি একজন সরকারী চাকুরীজীবি।বর্তমানে তিনি পলাশবাড়ী জনতা ব্যাংক শাখায় একজন সিনিয়র অফিসার হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন আসছেন।

অধ্যাপক সাবদার রহমানের বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেন সরকার তার শারীরিক সমস্যার কারনে তিনি বেশি শিক্ষা লাভ করতে পারেননি।তিনি বেশি শিক্ষিত না হলেও একজন সমাজসেবক হয়ে এলাকার সাধারন মানুষের সেবা করেছেন।বর্তমানে তিনি এখন বয়সের ভারে নুঁয়ে পড়েছেন।দ্বিতীয় ভাই মরহুম আজিজার রহমান সরকার তিনি বেঙ্গুলীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।তার আচার-আচারন,ব্যবহারে মানুষ মুগ্ধ ছিলেন।যার সৃতিচারন মানুষের মাঝে আজও স্বরন করে।তৃতীয় ভাই আলহাজ্ব আবুল কাশেম সরকার তিনি কুড়িগ্রাম সরকারী কলেজের একজন সাবেক প্রিন্সিপ্যাল ছিলেন।বর্তমানে অবসর হয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবন যাপন করছেন।চতুর্থ ভাই অবসরপ্রাপ্ত মতিয়ার রহমান তিনি পলাশবাড়ী জনতা ব্যাংক শাখায়  সাবেক প্রিন্সিপ্যাল অফিসার ছিলেন।সাবদার রহমান ভাই বোনের মধ্যে পঞ্চম যাকে নিয়ে লেখাটি লিখেছেন সাংবাদিক সোহেলরানা।ষষ্ঠ ভাই মোজাফ্ফর রহমান।উনার বাবা এলাকার কয়েকজন গন্যমান্য ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে এই বড় শিমুলতলা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন।বর্তমানে তিনি বাবার প্রতিষ্ঠা করে যাওয়া বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।সপ্তম ভাই আব্দুর রউফ সরকার তিনিও বিদ্যালয়ে একজন সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরী করছেন।৩ বোনের অনেক আগেই শিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে তাদের বিবাহ হয়েছে।তার তিন বোনের নাম হচ্ছে খায়রুন নেছা,আনোয়ারা খাতুন ও মনোয়ারা খাতুন।

সাবদার রহমানের ছাত্র ও রাজনৈতিক জীবনঃ- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে লালন করে ১৯৭৭-১৯৭৯ সালে কারমাইকেল কলেজে এইচএসসিতে অধ্যায়নরত অবস্থায় আওয়ামী ছাত্রলীগে জড়িয়ে পড়েন।কারমাইকেল কলেজের তৎকালীন ছাত্রনেতা নজরুল ইসলাম হক্কানীর জ্বালাময়ী এক ভাষনে তিনি আরও বেশি উদ্ধুদ্ধ হয়ে ছাত্রলীগের দলীয় কর্মকান্ডে একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে জড়িয়ে পড়েন এবং দলীয় বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করেন।১৯৮২-১৯৮৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে অধ্যায়ন কারা কালে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মকান্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করে বিশেষ ভুমিকা পালন করেন।এরপর ১৯৮৬ সালে পলাশবাড়ী উপজেলার মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধা সাকোয়াতজামান বাবুর হাত ধরে আওয়ামীলীগের মুলদলে প্রবেশ করেন।উপজেলা আওয়ামীলীগের মুলদলে প্রবেশ করার পর বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম সাকোয়াতজামান বাবু তিনি তাকে উপজেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক  পাইয়ে দেন।পরে তিনি কোন সময় শিক্ষা সম্পাদক কোন সময়ে সমাজকল্যান সম্পাদক আবার কোন সময়ে শিক্ষা সম্পাদক হিসেবে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।

এরপর ১৯৮৭ সালে তার চাচা তমিজ উদ্দিনের দানকৃত জমিতে সাবদার রহমান তার বন্ধুদের সাথে নিয়ে ১৯৮৭ সালে বড় শিমুলতলা নিউ মিলন সংঘ একটি ক্লাব গঠন করে বড় শিমুলতলা নিউ মিলন সংঘ ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন।সংগঠনটি গঠনের মধ্য দিয়ে ১৯৮৮ সালে মৃত ছামছুল ইসলাম বাদশার আর্থিক সহায়তায় ১ম লাটের বাজার প্রতিষ্ঠা করেন।পরে সময়ের সাথে লাটের বাজার থেকে বড় শিমুলতলা বাজার নামে ব্যাপক পরিচিত লাভ করে।এখান থেকেই এই সাবদার রহমানের সামাজিক কর্মকান্ডে তার নাম ফুটে উঠে।আস্তে আস্তে তিনি সমাজের অসহায় হতদরিদ্র মানুষগুলোর সুখে-দুঃখে তাদের পাশে দাড়ান।সময়ের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে তিনি মোকতব,মসজিদ ও ধর্মীয়,প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন।অজোঁপাড়া গাঁয়ে ১৯৯৩ দশকে তিনি বড় শিমুলতলা জুনিয়র হাইস্কুল থেকে বড় শিমুলতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুর্নাঙ্গ রূপান্তরিত করেন।এবং দীর্ঘ সময় যাবৎ সভাপতির দায়িত্ব পালন করাকালে বিদ্যালয়টিতে সবুজ সমারোহে চারপাশে গাছ লাগান যার সাক্ষী এখনও বহন করে।বড় শিমুলতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অদ্যবধি সভাপতি এর দায়িত্ব পালন করে আসছেন।এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সংগঠনে জড়িত থেকে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

নিভৃতে থাকা সাবদার রহমান বিভিন্ন সমাজ সেবামুলক যেসব কাজে অংশগ্রহন করেছেন।তার মধ্যে উল্লখযোগ্য হচ্ছে-২০০৭ সালে বড় শিমুলতলা সরকারপাড়ায় মোকতব প্রতিষ্ঠা করেন।২০১৪ সালে তিনি তার মরহুম পিতা-মাতার কবরের পাশে তার সবচেয়ে দামি ৩ শতাংশ জমিতে অনেক ব্যয়বহুল করে বড় শিমুলতলা বাজার সংলগ্ন আল হেরা জামে মসজিদ নির্মান ও টাইলস করে দেয়াসহ প্রসাব-পায়খানা নির্মান করে দেন।এবং ওই মসজিদে হাফেজিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষা চালু রেখেছেন।যা ২০১৬ সাল থেকে শিক্ষকের মাসিক বেতন অদ্যবধি প্রদান করে আসছেন।২০০৭ সালে ধর্মীয় শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে তিনি বড় শিমুলতলা বাউলাপাড়া কালুপীঁর হাফেজিয়া মাদ্রসা প্রতিষ্ঠা করেন।এবং যে সকল ধর্মীয় কাজে সহায়তা করেছেন।বাড়াই পাড়া ঈদগাঁহ মাঠের মিনার টাইলস দিয়ে নির্মান কাজে সহায়তা,বড় শিমুলতলা পাথারে পাড়া জামে মসজিদের মিনার নির্মান কাজে সহায়তা ,বড় শিমুলতলা পুর্বপাড়া জামে মসজিদের মিনার নির্মান কাজে সহায়তা।এছাড়াও কোভিড-১৯ মহামরি করোনা ভাইরাস দুর্যোগ মুহুর্তে নিভৃত থেকে পলাশবাড়ী ও নিজ এলাকার কর্মহীন অসচ্ছল অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে প্রচুর নগদ অর্থসহ বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদান করেন।এদিকে গত ৮ জুন সোমবার সকালে তার মরহুম পিতা-মাতার কবরের পাশে তার মৃত মায়ের নামকরনে ২০১৬ সালে স্থাপিত প্রস্তাবিত জাহেদা মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সাইনবোর্ড এর শুভ উদ্বোধন করেন।তবে নিজে আড়ালে নিভৃত থেকে তার প্রতিনিধি ও অতিথি বৃন্দ সাইনবোর্ড উন্মোচন করেন।যেখানে জনকল্যানের জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা হতে পারে সচেতন মহল এমনটাই মনে করেন।

এই অধ্যাপক সাবদার রহমানকে কোথাও তাকে দেখা না গেলেও আড়ালে নিভৃত থেকেই এলাকার জনকল্যানমুলক কর্মকান্ডে এবং অসহায় অস্বচ্ছল মানুষগুলোর পাশে দাড়ানোর মধ্যদিয়ে তার বিচরন দেখা যায়।তবে তিনি নিজ কর্ম, পরিবার-পরিজন ও নামাজের মধ্যদিয়ে ব্যস্ততার সাথে সময় পার করছেন।

সাবদার রহমানের ভবিষ্যৎ স্বপ্নঃ-অসহায় নিরীহ মানুষের সেবা করা।এবং প্রস্তাবিত জাহেদা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট একটি সেবামুলক প্রতিষ্ঠানি পুর্নাঙ্গ রূপে বাস্তবায়িত করা।

এ ব্যাপারে ছাবদার রহমান সরকারের সাথে আলাপকালে তিনি জানান।আল্লাহ আমাকে সব দিয়েছেন।আমি যাহা কিছু করেছি নীরবে নিভৃতে করেছি এবং আল্লাহ যেন আমাকে অসহায় নিরীহ মানুষগুলোর সেবা করার তৌফিক দেন। আর আমি যাই করি না কেন আড়ালে নিভৃত থেকে করতে চাই।কাউকে জানান দিয়ে নয়।

সোহেলরানা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা।

সফলতার গল্প: বিশ্ব স্বরন করছে ৪০টির বেশি ভ্যাকসিন আবিষ্কারককে

আওয়ামীলীগ নামধারীরা দখলে নেমেছে ঠাকুরগাঁওয়ে শতবছরের গোরস্থান


এই নিউজ মোট   2246    বার পড়া হয়েছে


সফলতার গল্প



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.