05:41am  Wednesday, 23 Sep 2020 || 
   
শিরোনাম
 »  ২৩ সেপ্টেম্বর; আজকের দিনে জন্ম-মৃত্যুসহ যত ঘটনা     »  নিহতের ১৬ দিন পর শিবগঞ্জ সীমান্তে লাশ ফেরত দিল বিএসএফ     »  শিবগঞ্জে আট লাখ টাকার মাছ নিধন     »  শিবগঞ্জে শিশুবিয়ে প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সাথে কিশোর-কিশোরীদের আলোচনা      »  দিনাজপুরে কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন     »  নওগাঁর নিয়ামতপুরে কলেজছাত্রীর চুল কেটে অশ্লীল ছবি তোলায় যুবক গ্রেপ্তার     »  ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, বুধবার চ্যানেল আইতে দেখবেন     »  বিড়ির পক্ষে ১০ সাংসদ, চরম ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য     »  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালক আবদুল মালেকের উত্থানের গল্প     »  বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে সাড়া এবং তথ্য দেয়নি টিকটক    



হত্যার এক মাস পার হলেও ধরা পড়ল না একজন আসামীও, বাদী হতাশ
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০,২৬ ভাদ্র ১৪২৭



শিবগঞ্জ সংবাদদাতা: গত ৩৩দিনেও শিবগঞ্জে ফেরদৌসী হত্যা মামলার কোন আসামী গ্রেফতার না হওয়া, ময়না তদন্তের রির্পোট না আসা, প্রকাশ্য আসীরা ঘুরে বেড়ানো ও বিভিন্ন ভাবে হুমকী দিলেও আসামীদের দ্বারা পুলিশ প্রভাবিত হওয়ায় বাদী ও বাদীর পরিবার নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়ে মানবেতার জীবনযাপন করেেছ বলে বাদীর পক্ষে থেকে অভিযোগ উঠেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন মামলা রুজু হয়েছে। তদন্ত চলছে। বাদীর ভাষ্য হলো গত ১০আগষ্ট  থানায় অভিযোগ দিতে গিয়ে ওসি অভিযোগ গ্রহন না করায় অবশেষে গত ১৬ আগষ্ট বিজ্ঞ আদালতে মামমা করেছি। তবে  হত্যার শিকার ফেরদৌসী হলো শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের পারচৌকা গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও পার্শবতী রানীনগর ঘুনটোলা গ্রামের শামসুদ্দিনের মেয়ে।

গত ১৬আগষ্ট বাদী সফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে মামলা সূত্রে জানা গেছে প্রায় ৭বছর আগে শহিদুল ইসলামের সাথে ২লাখ টাকা দেনমোহরে ( উপহার স্বরুপ ১লাখ৫০হাজার টাকা সহ)বিয়ে হয়। তারপরও  বিভিন্ন সময় যৌতুক নেয়ার ধারাবাহিকতায় গত ৭ আগষ্ট শুক্রবার শহিদুল তার স্ত্রী ফেরদৌসী পিতার নিকট হতে ২০হাজার টাকা যৌতুক এনে না দেয়ায় ঐদিন রাতে শহিদুল ও তার আত্মীয়া ফেরদৌসীর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে টানা ২৪ ঘন্টা লাশ ঘরে লুিিকয়ে রাখে। ফেরদৌসীর পিতা- মাতাকে সংবাদ দেয় যে তার মেয়ে বাক্স থেকে  ১লাখ ৪৫হাজার টাকা নিয়ে নিঁখোজ হয়েছে । বিভিন্ন  স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ৮আগষ্ট সকালে ফেরদৌসীর মা জাহানারা বেগম জামাইয়ের বাড়ি গেলে জামাই ও তার বাড়ির লোকজন তার সাথে মারমুখী আচরন করে। সেদিন  রাত পৌনে ১২টার দিকে শহিদুলের আত্মীয় স্বজনরা তার শুশুর শামুদ্দিনের  বাড়িতে গিয়ে টাকাসহ মেয়ে খুঁজে বের করার জন্য আবারো চাপ সৃষ্টি করে বাড়ি ফিরে আসে। ৯আগষ্ট সকাল ৮টার দিকে শহিদুলের বাড়ির পার্শে মনাকষা চকের নদীতে ফেরদৌসীর লাশ ভেসে থাকার সংবাদ পেয়ে ছুটে যায়। সকাল ১১টার দিকে পুলিশ আসলে লাশ শনাক্ত করা হয়। এ সময় শহিদুল ইসলামের আত্মীয়স্বজনা তড়িঘড়ি করে ফেরদৌসীর পিতা- মাতার নিকট সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে লাশ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। পরের দিন লাশ ময়না তদন্ত শেষে শফিকুল ইসলাম শিবগঞ্জ থানায় একটি এজাহার জমা দিলেও মামলা গ্রহন না করে ওসি আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন। বাদীর দাবী আসামী ও তাদের  লোকজন ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

তিনি আরো জানানা, লাশ উদ্ধারের দিন আমার পিতা মাতা যখন অজ্ঞান অবস্থায় ছিল তখন আসামী পক্ষের  লোকজন  ও পুলিশ নদী থেকে লাশ উত্তোলন ও ময়না তদন্তে পাঠানোর কথা বলে সাদা কাগজে স্বাক্ষর/ টিপসই নিয়েছে। এখন তারা এটিকে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালাচ্ছে এবং আমাদেরকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছে।।ফেরদৌসীর ভাবী ফাতিমা বেগম, ফুফু সায়েদা বেগম  গুধী, চাচা উজির আলি, চাচা আবেদ আলিসহ ফেরদৌসীর অন্যান্য আত্মীয়দের দাবী  যৌতুকের ২০ হাজার টাকা জন্য  শহিদুল তার আত্মীয়রা  ফেরদৌসীকে পিটিয়ে হত্যা করে প্রথমে লাশ আমাদের বাড়িতে ফেলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে নদীতে পাটের জাগের মধ্যে চাপা দেয়। যা পরের দিন সকালে ভেসে উঠলে জানতে পারি। আসামী পক্ষ ও তার আত্মীয়রা প্রভাবশালী হওয়ায় বিভিন্ন ভাবে চাপ দেয়ায় আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমরা বিচার ও নিরাপত্তা চাই।

নিহত ফেরদৌসীর মা জাহার্নাা বেগম ও পিতা শামসুদ্দিন বলেন পুলিশ আসামীপক্ষের লোকজন ও স্থানীয় কয়েজজন নেতা লাশ পানি থেকে তুলা ও ময়না তদন্তে পাঠানোর কথা বলে সাদা কাগজে আমাদের টিপ সহি নিয়েছে। তখন আমরা স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলাম না। এখন শুনছি যে তারা বিভিন্ন ধরনের কথা বলছে। তবে আমরা আমাদের মেয়ে হত্যার বিচার চাই। পানি থেকে লাশ উত্তোলন কারী ফেরদৌসীর চাচ/ফুফা উজির আলি, চাচাতো ভাই জেম ও বাবু জানান, লাশ পানি থেকে তুলার সময় ফেরদৌসীর দুইহাতে, ঘাড়ে, মাজায় ও গলায় আঘাতের দাগ দেখেছি।

এ ব্যাপারে ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই রিপন(বর্তমানে রাজশাহীতে বদলী) বলেন, লাশ  ফুলে যাওয়ায় শরীরে কোন দাগ বুঝা যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।

বর্তমান তদন্তকারী কর্মর্কা শিবগঞ্জ থানার ওসি(তদন্ত) শাহীন রেজা বলেন, নিহতের ভাই শফিকুল আলম বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেছে। থানায় মামলা রুজু হয়েছে। মামলা নং ৬০, তারিখ ২৭-০৮-২০২০। ইতিমধ্যে ২দিন তদন্ত করেছি। তবে ময়না তদন্তের পির্র্পোটের অপেক্ষায় আছি।

শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শামসুল আলম শাহ বলেন, বাদী ও নিহতের পিতা শামসুদ্দিনের অভিযোগ আস্বীকার করে বলেন, যেহেতু ময়না তদন্তের রির্পোট দেখা হয়নি। সেহেতু কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে পুলিশের পক্ষে থেকে তদন্ত চলছে। নিহতের

পিতা থানায় প্রথমত: হত্যা মামলা না করে ইউডি  মামলা করেছে। তারপর তার ছেলে শফিকুল ইসলাম বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেছে। সময় সাপেক্ষে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

অনুসন্ধানী: সিনহা হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন বলছে পুলিশের কর্মকাণ্ড ছিল হঠকারী, অপেশাদারি

ভোলাহাটে শিকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভেঙ্গে পড়েছে শ্রেনী কক্ষ


এই নিউজ মোট   979    বার পড়া হয়েছে


অনুসন্ধানী



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.