12:47pm  Tuesday, 21 Jan 2020 || 
   
শিরোনাম



বামনায় কৃষকের ধান বিক্রিতে ভোগান্তি



বামনায় কৃষকের ধান বিক্রিতে ভোগান্তি; সারাদিন ধান নিয়ে অপেক্ষা করলেও কৃষক ধান বিক্রি করতে পারেনি
নিজস্ব সংবাদদাতা: বরগুনার বামনায় চলতি আমন মৌসুমে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তর। শুরুতে সঠিক ভাবে ধান ক্রয় হলেও বর্তমানে ধান বিক্রি করতে আসা কৃষকরা পড়েছেন ভোগান্তিতে। উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দোষ চাপাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভারত সফর ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ছুটিতে থাকার। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বামনা খাদ্যগুদামে মো. শাহজাহান পহলান নামে ডৌয়াতলা ইউনিয়নের কৃষিকার্ডধারী ও ধান বিক্রয় করার জন্য নির্বাচিত একজন কৃষক প্রায় ৪৮ মন ধান নিয়ে বামনা খাদ্য গুদামে আসে। সারাদিন ধান নিয়ে অপেক্ষা করার পর সন্ধ্যার সময় গুদাম কর্তৃপক্ষ আজ কোন ধান কেনা হবেনা বলে জানায়। এব্যাপারে কৃষক শাহজাহান পহলান আজ সন্ধ্যায় বামনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ধান বিক্রি না করার ক্ষোভ প্রকাশ করে একটি অভিযোগ  করেন। সংবাদ সম্মেলনে কৃষক শাহজাহান জানায় , আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ৪৮মন ধান নিয়ে বামনা খাদ্য গুদামে আসেন। দুপুরের দিকে কয়েকজন যুবলীগকর্মী ওইধান বিক্রিতে বাঁধা দেয়। এ ঘটনা দেখে আরো কয়েকজন কৃষক ধান বিক্রি করতে না পেরে চলেযায়। এদিকে উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাজেন্দ্র নাথ শীল খাদ্য গুদামে গিয়ে কোন ধান পরীক্ষা না করে জানায় এই ধান আমন নয় সবাই ধান নিয়ে বাড়িতে চলে যান ।  এ ঘটনায় বুকাবুনিয়া থেকে আগত কয়েকজন কৃষক ধান বিক্রি না করে চলেযায়। কৃষক শাহজাহান পহলান তিনি প্রতিবাদ করেন। ধান নিয়ে তিনি সন্ধ্য পর্যন্ত খাদ্য গুদামে অপেক্ষা করেন। সন্ধ্যায় গুদাম কর্মকর্তা তাকে জানায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও  কৃষি কর্মকর্তা বামনাতে না থাকার কারনে আজ কোন ধান ক্রয়করা হবে না। সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাজেন্দ্রনাথ শীল জানায়, কৃষি কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসেবে আমি গুদামে যাই। ধান আমাদের এলাকার নয় এটি মনে হওয়ার কারণে আমি ধান ক্রয় করতে গুদাম কর্মকর্তাকে নিষেধ করি। বামনা খাদ্য গুদামের শ্রমীক আ. সালাম বলেন, কৃষি কর্মকর্তার প্রতিনিধি রাজেন্দ্রনাথ শীল কোন ধানের বস্তা না দেখেই গেটে বসেই বলেন এই ধান বামনার নয়। এটি ক্রয় করা হবেনা। এব্যাপারে খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মহিমা আক্তার বলেন, কৃষকরা আজ যে ধান গুদামে বিক্রি করতে নিয়ে এসেছে তা মানসম্মত। এই ধান ক্রয় যোগ্য। তবে কর্মকর্তারা না থাকার কারণে আজ ধান ক্রয় সম্ভব নয়। সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাজেন্দ্রনাথ শীল ধান ক্রয়করতে বাঁধা দেওয়ার কারণে কৃষক খাদ্যমন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ওমর ফারুকে অবহিত করলে তার নির্দেশে অবশেষে ধান মজুদ রাখতে বাধ্য হয় গুদাম কর্তৃপক্ষ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. এনামুল ইসলাম বলেন, আমি বর্তমানে খুলনাতে অবস্থান করছি। ওই কৃষকের ধান গুদাম কর্মকর্তার দ্বায়িত্বে মজুদ রাখতে বলেছি। রবিবার এসে এবিষয়েসিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এই নিউজ মোট   67    বার পড়া হয়েছে


কৃষি



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.