08:03pm  Saturday, 04 Apr 2020 || 
   
শিরোনাম
 »  মেহের আফরোজ চুমকি’র মাধ্যমে ১ হাজার পরিবারে খাদ্যসামগ্রী বিতরন      »  পরিসংখ্যান বলে করোনায় মৃত্যুহারে ইতালির পরেই বাংলাদেশ!     »  করোনার সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক     »  করোনাভাইরাস’র স্থায়ী প্রতিরোধে ওষুধ ও টিকার অপেক্ষায় মানুষ     »  অ্যান্টি-প্যারসিটিক বা পরজীবীনাশক ওষুধে মরবে করোনা     »  আট প্রজাতির করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে      »  দেশে ২ জনসহ করোনায় মারা গেলেন ৮জন, রোগী শনাক্ত ৯; মোট আক্রান্ত ৭০, সুস্থ ৩০ জন      »  বরিশালের দুস্থ ও অসহায়রা ফোন দিলেই খাবার পৌঁছানোর ঘোষণা     »  ৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার থেকে সংসদ টিভিতে প্রাথমিকের ক্লাস      »  প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হলো চট্টগ্রামে    



ছাত্রলীগ নেত্রী চম্পার উপর ছাত্রদলের ক্যাডারদের হামলার আজ ১৭ বছর



১ এপ্রিল, ছাত্রলীগ নেত্রীর উপর ছাত্রদলের ক্যাডারদের হামলার আজ ১৭ বছর। সেই বিভিশিকাময় দিনের কথা মনে হলে আঁতকে উঠেন চন্দ্রা রায় চম্পা। প্রচন্ড ব্যাথা আর যন্ত্রনার পরেও বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্ভন নেত্রীর দেয়া বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মস্থল। যেখানে তার উপর এখন চলছে মানষিক নির্যাতন। বিশেষ কথা হলো, সেই সময়ে চন্দ্রা রায় চম্পা লালবাগ থানায় একটি মামলা করেছিলেন। তখন বিএনপি সরকার ক্ষতায় থাকার কারনে চাপা পরে যায় মামলাটি। পরবর্তিতে ৩য় বারের মতো আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকলেও ১৭ বছলে চম্পার করা মামলাটি আর আলোর মুখ দেখেনি। 

আমরা আসলেই আত্মবিস্মৃত জাতি। যে কোন ঘটনাই কিছুদিন পর ভুলে যাই নিজেরই অজান্তে। শুধু সে-ই ভুলতে পারেননা যে ঘটনার শিকার। ভুলতে চাইলেও বিভিশিকাময় সেই দিনগুলোর কথা বারবার মনে করিয়ে দেয় শরীরের বিভিন্ন ক্ষত আর ক্ষতের যন্ত্রনা। প্রতিপক্ষের আক্রমনে রক্তাক্ত হয়ে যে মৃত্যুকে খুব কাছে থেকে দেখেছেন। তিনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দল হিসেবে স্বীকৃত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের ইডেন মহিলা কলেজ শাখার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রা রায় চম্পা। তার জীবনে ঘটে যাওয়া লোমহর্ষক কাহিনী নিয়েই আজকের প্রতিবেদন।

২০০৩ সালের ১ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১১টা। ক্লাশ শেষে চন্দ্রা রায় চম্পা ও তার বান্ধবী গুলশান আরা বর্ষা নোটস ফটোকপি করতে কলেজ ক্যাম্পাসের ফটোস্ট্যাট দোকানে পৌছুলে ছাত্রদলের ক্যাডাররা তাদের কাছে যেতে বলে হাক ছাড়ে। এতে সাড়া না দেওয়ায় ছাত্রদলের ক্যাডাররা তাদের ধাওয়া করে। জীবন বাঁচাতে তারা টিচার্স্ রুমের দিকে দৌড় দেন। এসময় বর্ষা পিছনে পরে যাওয়ায় তাকে সাথে নিতে ফিরে আসেন চম্পা। সাথে করে নিয়েও যান টিচার্স্ রুমের ভিতর পর্য্ন্ত। কিন্তু সেখানে থাকা ম্যাথমেটিকস এর এক শিক্ষক চম্পাকে আশ্রয় না দিয়ে রুম থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। চম্পাকে ধরে ফেলে ছাত্রদলের ইডেন শাখার ক্যাডাররা। কেন তারা করছে চম্পা জানতে চাইলে তারা হুমকি দিয়ে বলে “ছাত্রলীগ করস আবার ক্যাম্পাসে আসছস, আবার কথা বলস”। অপর ছাত্রদল ক্যাডাররা চম্পাকে উদ্দেশ্য করে বলে, যদি বাঁচতে চাস তাহলে কাল থেকে ছাত্রদলে যোগ দিবি। আর কোনদিন বঙ্গবন্ধুর নাম মুখে আনবিনা। আর সেটা লিখিত দিতে হবে। এই শর্তে চম্পা রাজি না হলে প্রথমেই জুনিয়র সিমা নামের এক ক্যাডার প্রথমেই তার চোখের চশমা নিয়ে মািটিতে ফেলে পা দিয়ে ঘুড়িয়ে দেয়। আর শুরু হয় স্বদলবলে চম্পার উপর আক্রমন। চম্পাকে মারতে বাধা দেয়ায় বর্ষাকেও মারতে থাকে দুই ছাত্রদল ক্যাডার। চম্পা তাদেরকে জানায় বর্ষ সাধারন ছাত্রী, সে কোন দল করেনা, সে শুধু আমার বান্ধবি, তোমরা ওকে ছেড়ে দাও, আমার সাথে যেহেতু তোমাদের জেদ সেহেতু প্রয়োজনে আমাকে মার। অডিটরিয়ামে যাবার শর্তে বর্ষাকে ছেড়ে দেবার কথা জানায় ছাত্র দলের ক্যাডাররা। তারপরেও চম্পাকে অডিটরিয়ামের ভিতরে টেনে হিচড়ে নিয়ে গিয়ে বেধরক মারপিট করতে থাকে। ততক্ষণে বর্ষাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। চম্পাকে মারপিটের এক পর্যায়ে সদ্য অপারেশন করা ব্রেস্টে একাধিকবার আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তারপর চম্পার পিঠে এলোপাথারী হিল জুতা পরা পা দিয়ে গুড়ি মারতে থাকে। যে কারনে তার পিঠের হাড় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি মাংসগুলো থেথলে যায়। যখন সে তীব্র ব্যাথা আর যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছিলেন এবং কান্না করার মতো শক্তিও পাচ্ছিলেন না তখন তারা অট্টহাসি হাসছিল আর বলছিল শালী এখনো মরে নাই ওর মুখ ছেইচ্ছা দে আর যেন বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করতেনা পারে। এক পর্যায়ে চম্পা জ্ঞাণ হারিয়ে ফেলে। এরপর তারা চম্পাকে মৃত ভেবে টেনে হিচরে ক্যাম্পাসের বাহিরে রাস্তার মাঝখানে শুইয়ে রাখে।

এতেই তারা ক্ষান্ত হননি চালকরা চম্পার উপর বাস চালিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হচ্ছিল বাসের ড্রাইভারদের। এসময়  রাস্তায় অনেক যানবাহন আটকা পরে। সেসময় তার বান্ধবী বর্ষা তাকে বাঁচানোর জন্য ক্যাম্পাসে থাকা পুলিশ নিয়ে আসে, কিন্তু পুলিশও তাকে রাস্তায় পরে থাকতে দেখে ছাত্রদলের ক্যাডারদের ভয়ে কাছে না গিয়ে আবারো ক্যাম্পাসে ফিরে যায়। তারপর বর্ষা উপস্থিত জনতা এবং অবিভাবকদের কাছে কাকুতি মিনতি করতে থাকে, কিন্তু ভয়ে কেউ চম্পাকে বাঁচাতেতো দুরের কথা কাছেও যায়নি। ততক্ষনে ছাত্রদলের ক্যাডাররা ইডেন কলেজের ক্যাম্পাসের ভিতর চলে যায়। এসময় বাস থেকে এক যুবক নেমে চট করে চম্পাকে কাঁধে নিয়ে পাশে থাকা একটি রিক্সায় চেপে বসেন। বর্ষাও দৌড়ে ওই রিক্সায় ওঠে পড়েন। রিক্সাওয়ালা তাদের নিয়ে যাত্রীর কথামত পৌছান ঢাকা মেডিকেলে বেলা ১টার দিকে। এখবর  ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি লিয়াকত শিকদার, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু, ইডেন কলেজ শাখার সভাপতি জেদ্দা পারভীন খান রিমি, সুলতানা রাজিয়া পান্নাসহ অনেক নেতা-কর্মীরা সারাদিন পাশে থেকে চিকিৎসায় সহযোগীতা করছিলেন। সেখানে রাত ১০টা পর্যন্ত অবজারভেশনে ছিলেন চম্পা। ততক্ষনেও তার জ্ঞাণ না ফিরলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সমরিতা হাসপাতালে নেয়া হয় চম্পাকে। সর্বক্ষন খবর রাখতে থাকেন তখনকার ছাত্রলীগ ওকে কমিশনের চেয়ারম্যান ছাত্রনেতা ওবায়দুল কাদের।

চম্পার আশংকাজনক অবস্থা দেখে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি এসআর পলাশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি লিয়াকত শিকদারকে বলেন চম্পাকে আর হয়তো বাঁচানো গেলোনা। এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রলীগ তাৎক্ষনিক একটি মৃত্যু মিছিল বের করে। ততক্ষনে পুরো দেশে ছড়িয়ে যায় ছাত্ররীগ নেত্রী চম্পা হয়তো আর বেঁচে নেই।

এদিকে রাত ১২টার দিকে চম্পার জ্ঞান ফিরে আসে। ইডেন কলেজে সংঘর্ষের খবর ২/৪/২০০৩ তারিখ দৈনিক সংবাদ, ভোরের কাগজ, জনকন্ঠসহ সকল জাতীয় দৈনিকে বিভিন্ন শিরোনামে প্রকাশিত হয়। তখনকার ছাত্রদল ইডেন কলেজ শাখার আহবায়ক নিশিতা, যুগ্ম আহবায়ক রুমাসহ ৫ ক্যাডারদের বিরুদ্ধে চম্পা বাদি হয়ে হাসপাতাল থেকেই লালবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তখন এ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে নানা কর্মসূচি দেয় ছাত্রলীগ। কিন্তু বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকায় চাপা পরে যায় লালবাগ থানার সেই মামলাটি। কিন্তু পরবর্তিতে পর-পর তিনবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় বহাল রয়েছে। তারউপর হামলার আজ ১৭ বছর পূর্ন হলেও চম্পার করা মামলাটি আর কখনো আলোর মুখ দেখেনি।

চম্পা সমরিতা হাসপাতালে এক সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হলে বর্তমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, তখনকার ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতা-কর্মীরা হুইল চেয়ারে করে সুদাসদনে নিয়ে যান বঙ্গবন্ধুকন্যা ও তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনার সাথে দেখা করাতে। এসময় শেখ হাসিনা তার মাথায় হাত বুলিয়ে শান্তনা দেন এবং তার সব দায়-দায়িত্ব নেন। চম্পা ফিরে যান তার বাসায়।

পরবর্তীতে মিরপুর ক্যান্সার হাসপাতালের ব্রেস্ট স্পেষালিষ্ট অধ্যাপক আব্দুল হাই এর কাছে, পরে তৎকালিন ছাত্রলীগ সভাপতি লিয়াকত শিকদারের সুপারিশে ট্রমা সেন্টারে অধ্যাপ রুহুল আমিনের কাছে চিকিৎসা নিতে থাকেন।

তার অবস্থার কথা জেনে বিরোধিদলীয় নেত্রীর তৎকালিন লিয়াজো অফিসার বজলু সাহেবের হাতে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্য পাঠান এবং আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য এ্যাপোলো হাসপাতালে ভারতীয় এক ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসার জন্য সহযোগীতা করেন শেখ হাসিনার সহযোগীতায়। তার পর থেকে আস্তে আস্তে সুস্থ্য হয়ে ওঠেন চন্দ্রা রায় চম্পা। ছয় মাস পর আবারো ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি। পরবর্তিতে আরো প্রায় টানা তিন বছর সফলভাবে দায়িত্ব পালন শেষে নিঝুম-তানিয়ার কাছে ইডেন ছাত্রলীগের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন।পদ পান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হিসেবে। পরবর্তিতে আওয়ামীলীগ সরকার  ক্ষমতায় আসলে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ্য সহযোগীতায় ২০১০সালে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সেকশন অফিসার হিসেবে চাকুরিতে যোগ দেন। চাকরির পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার এ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ আট বছর সুনামের সাথে চাকরী করলেও বিশেষ সুত্র বলছে বর্তমানে শারীরিক সমস্যা এবং উর্দতন কর্তপক্ষের চাপে মানষিক যন্ত্রনায় আছেন চম্পা। তারপরেও  বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশণ ধানমন্ডি থানার মহিলা সম্পাদিকা হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।

চম্পা বলেন, সবচেয়ে বেশি আঘাত পেয়েছিলাম মেরুদন্ডে। থেতলানো মাংসের ব্যাথায় অনেক দিন পর্যন্ত বিছানা থেকে উঠতে পারতাম না। বিছানাতেই মলমূত্র ত্যাগ করতে হতো। এছাড়া অপারেশনকৃত ব্রেস্টে আঘাত পাওয়ায় সেখানে ঘা হয়ে গেছিল। যার অসহ্য যন্ত্রনায় অনেক রাত ঘুমাতে পারেননি। দুঃসহ সেসব স্মৃতি মনে করে এখনো শিহরে উঠি। ভুলতে পারি না মৃত্যুকে খুব কাছে থেকে দেখার অনুভূতি। এখনো মাঝেমাঝে তীব্র ব্যাথা অনুভব করি। প্রায় সময়-ই আমাকে হাসপাতাতে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়, মানে ১/২ মাস পর-পর-ই ১০/১৫ দিন হাসপাতালে থাকতে হয়। বর্তমানে আমি বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক সালেক স্যার, অর্থোপেডিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ার স্যার ও ফিজিসিয়ান আজাদ ভাই এর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছি।

আমি কৃতজ্ঞ আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কারিগর শেখ হাসিনা, তখনকার ছাত্রলীগ ওকে কমিশনের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্যার, ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকসহ তৎকালিন সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের প্রতি। কৃতজ্ঞ বান্ধবী গুলশান আরা বর্ষা ও অজ্ঞাত সেই যুবক যিনি আমাকে তার জীবনের ঝুকি নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। আপনাদের সামনে বসে কথা বলছি এইটা আমার পূর্নজন্ম বলে আমি মনে করি। আসলে সেই অজ্ঞাত যুবক-ই আমাকে পূর্নজন্ম দেয়ার জন্য সহযোগীতা করেছেন। oknews24bd.com এর মাধ্যনে আমি জানাতে চাই আমার জীবদ্দশায় যেন আমি সেই মহা মানবটাকে একবার দেখে যেতে পারি। আমি ওনাকে অনুরুধ করব যদি উনি এই সংবাদটি দেখে থাকেন তাহলে যেন অবশ্যই ওনার সাথে দেখা করার ব্যবস্থা করেন। দূবৃত্তায়ন আর ক্যাডারভিত্তিক রাজনীতির অবসান হোক। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ পৌছে যাক উন্নতির চরম শিখরে এমনই স্বপ্ন দেখেন চম্পা।

এ সংক্রান্ত ভিডিও প্রতিবেদন দেখতে চোখ রাখুন ওকে নিউজের অনুসন্ধানী পাতার বিশেষ আয়োজন ‘রিয়াল লাইফ’ অনুষ্ঠানে।

পলাশবাড়ী হাসপাতালের হিসাব সহকারীর বিরুদ্ধে চুরিসহ একাধিক অভিযোগ।


এই নিউজ মোট   669    বার পড়া হয়েছে


অনুসন্ধানী



বিজ্ঞাপন
ওকে নিউজ পরিবার
Shekh MD. Obydul Kabir
Editor
See More » 

প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ মো: ওবাইদুল কবির
ঠিকানা : ১২৪/৭, নিউ কাকরাইল রোড, শান্তিনগর প্লাজা (২য় তলা), শান্তিনগর, ঢাকা-১২১৭।, ফোন : ০১৬১৮১৮৩৬৭৭, ই-মেইল-oknews24bd@gmail.com
Powered by : OK NEWS (PVT) LTD.