প্রথম দিন মেট্রোরেলে চড়লেন ৩ হাজার ৮৫৭ জন

প্রচ্ছদ বিনোদন বিনোদন অন্যান্য ভ্রমণ হ্যালোআড্ডা

নিজস্ব প্রতিবেদক : উদ্বোধনের পরদিন সাধারণ যাত্রী নিয়ে প্রথম দিনের যাত্রায় মেট্রোরেলে চড়েছেন ৩ হাজার ৮৫৭ জন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এসব যাত্রী মেট্রোরেলে ওঠার সুযোগ পান। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এ তথ্য জানিয়েছে।

ডিএমটিসিএল আরও জানিয়েছে, প্রথম দিন ৪ ঘণ্টায় মেট্রোরেলের ৫টি ট্রেন মোট ২৫ বার আগারগাঁও থেকে উত্তরা স্টেশন পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলাচল করেছে।

বুধবার মেট্রোরেল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর বৃহস্পতিবার জনসাধারণের জন্য মেট্রোরেলের দুয়ার খোলে। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থেকে চড়তে না পারার হতাশা, টিকিট পেয়ে মেট্রোয় চড়ার উচ্ছ্বাস-আনন্দের মিশে ছিল প্রথম দিনের মেট্রোরেলের যাত্রায়।

মেট্রোতে চলাচলের জন্য আছে দুই ধরনের এমআরটি পাস। একটি স্থায়ী, অন্যটি এক যাত্রার। এক যাত্রার পাস ভ্রমণ শেষে রেখে যেতে হয়। স্থায়ী পাস যাত্রীর কাছে থাকে।

আজ দুপুর ১২টার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত স্থায়ী পাস দেওয়া হয়। তবে কাল শুক্রবারের জন্য নতুন সময়ে কার্ড দেওয়া হবে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ৩০ ডিসেম্বর থেকে মেট্রোরেলে চলাচলের জন্য বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উত্তরা উত্তর ও আগারগাঁও স্টেশনের কাউন্টার থেকে স্থায়ী পাস দেওয়া হবে।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেট্রোরেলের স্টেশনের নিচে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন হয়। তবে অনেকে আজ মেট্রোতে চড়তে পারেননি
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেট্রোরেলের স্টেশনের নিচে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন হয়। তবে অনেকে আজ মেট্রোতে চড়তে পারেননি ছবি: দীপু মালাকার

মেট্রোরেলে কোনো কাগুজে টিকিট নেই। যাত্রীরা যেটি পান, সেটি একটি কার্ড। কার্ড দুই ধরনের। একটি স্থায়ী, অন্যটি এক যাত্রার। এক যাত্রার কার্ড ভ্রমণ শেষে স্টেশনে জমা দিয়ে যেতে হয়। স্থায়ী কার্ড যাত্রীর কাছে থাকে

স্থায়ী পাস নিতে যে ৫০০ টাকা লাগবে, তার মধ্যে ২০০ টাকা জামানত, ৩০০ টাকা ব্যবহারযোগ্য। এর অর্থ, ৩০০ টাকা দিয়ে মেট্রোরেলে যাতায়াত করতে পারবেন কার্ডধারী। কার্ড ফেরত দিলে জামানতের টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। হারিয়ে ফেললে টাকা দিয়ে নতুন করে কার্ড কিনতে হবে। পুরোনো কার্ডে টাকা থাকলে তা অবশ্য নতুন কার্ডে যুক্ত হবে।

স্থায়ী কার্ড কেনার আগে নিবন্ধন করতে হবে। এর জন্য নিজের নাম, মা-বাবার নাম, ফোন নম্বর, ই-মেইল ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) লাগবে। পাসপোর্টের নম্বর হলেও চলবে। এসব তথ্য এনআইডির তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলতে হবে।

আরো পড়ুন : আজ নয়াপল্টন থেকে বিএনপির গণমিছিল

Share The News

Leave a Reply

Your email address will not be published.