আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, এ সপ্তাহে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ভারত সমর্থিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গোয়েন্দা অভিযানের সময় কর্নেল জুনায়েদ ও মেজর তায়েবসহ ১১ সেনা কর্মকর্তা শহীদ হন। এই হত্যার পেছনে জড়িত ছিলো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ফিতনা আল খাওয়ারিজে সদস্যরা। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা দেশের সকল প্রান্ত থেকে সন্ত্রাসবাদ উৎখাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারই ধারাবাহিকতায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ফিতনা আল খাওয়ারিজের সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩০ সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ওরাকজাইয়ে হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জিও নিউজ।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং জানিয়েছে, ৭ ও ৮ অক্টোবর ওরাকাজি জেলায় ভারতের প্রক্সি গোষ্ঠী ফিতনা আল খাওয়ারজির উপস্থিতি টের পেয়ে তারা একটি অপারেশন পরিচালনা করে। আইএসপিআর জানিয়েছে, ওই অপারেশনের সময় ১৯ সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়েছে। খাইবার পাখতুনখোয়ার ডেরা ইসমাইল খানে একটি অপারেশন পরিচালনার কয়েক ঘণ্টা পর ৩০ জন খাওয়ারিজকে খুন করা হয়। এর মধ্যে সাতজন ভারতীয় প্রক্সি সন্ত্রাসীও ছিলো। আইএসপিআরের তথ্য অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর দারাবান এলাকায় ওই অপারেশন পরিচালনা করা হয়। এতে নেতৃত্বদানকারী মেজর সিবতেইন হায়দার শহীদ হন।
যিনি সম্মুখ থেকে সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। অভিযান শেষে ৮ অক্টোবর সকালে ওয়াইজ থেকে ফিরে যাচ্ছিলো লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুনাইদ তারিক ও মেজর তায়াব রাহাতের নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনীর টিম। ওরাকজাই-কুররম সংযোগ সড়কে তাদের গাড়িটি ওঠার কিছুক্ষণ পর গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে বন্দুক ও বোমা হামলা করে টিটিপি। তারা আগে থেকেই ওই এলাকায় অবস্থান নিয়েছিলো। সামরিক বাহিনীর গাড়ি নাগালের মধ্যে আসা মাত্র ব্যাপকভাবে গুলি বর্ষণ শুরু করে তারা। এতে ঘটনাস্থলেই লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারিক ও মেজর রাহাতসহ ১১ সেনা নিহত হন। এ সপ্তাহের শুরুতে ২৭২তম কর্পস কমান্ডার কনফারেন্সে ভারতের প্রক্সি ফিতনা আল খাওয়ারিজ ও ফিতনা আল হিন্দুস্তানকে নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।
আরো পড়ুন : আসাদুজ্জামান খান বলেছিলেন-‘নিখোঁজ’ ব্যক্তিরা হয় অপরাধী, নয়তো ঋণখেলাপী বা প্রতারক।
