নিয়ে বগুড়ার সাত আসনে ৬ প্রার্থী যারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৬টিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। সোমবার রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেন।
ঘোষণা অনুসারে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে আদমদীঘি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মুহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে সাবেক এমপি, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে সাবেক এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলমকে গত অক্টোবরে তারেক রহমান দু‘দফা ফোনে ও রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে ডেকে ‘সবুজ সংকেত’ দেন। তাকে এলাকায় কাজ করার নির্দেশও দিয়েছিলেন। তবে এ আসনে প্রার্থীতা কেন স্থগিত রাখা হয়েছে, সে সম্পর্কে দলের কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। অনেকের ধারণা, বগুড়া-২ আসনটি জোটের স্বার্থে বা সমমনা দলের কাছে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে এ আসনে নাগরিক ঐক্যর সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাকে আসনটি দেওয়া হতে পারে। তিনি নিজ প্রতীক নিয়ে বিএনপি জোটের হয়ে ভোট করবেন।
জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন জানান, বগুড়া-২ আসনে প্রার্থীর ব্যাপারে চেয়ারপারসনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। বগুড়ার ছয়টি আসনে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও অন্যদের নাম ঘোষণা করায় তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন।
আরো পড়ুন : একনজরে দেখে নিন বিএনপি থেকে “ত্রয়োদশের টিকে“ পেলেন যারা
পাবনার ৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনার ৫টি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেন।
এতে পাবনা-২ আসনে একেএম সেলিম রেজা হাবিব (দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি), পাবনা-৩ আসনে কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন (কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সভাপতি), পাবনা-৪ আসনে মো. হাবিবুর রহমান হাবিব (বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা) এবং পাবনা-৫ আসনে অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের (বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী) নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে মনোনয়ন ঘোষণার পর সোমবার রাতে পাবনা শহরে আনন্দ মিছিল বের করেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আরো পড়ুন : জেনে নিন নাহিদ ইসলামসহ এনসিপি’র শীর্ষ নেতাদের লড়াইয়ের আসন কোন-কোনটা

ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী শহিদুল ইসলাম
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ আসন থেকে বিএনপির হয়ে লড়বেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম। ফরিদপুরের সদরপুর, চরভদ্রাসন ও ভাঙ্গা (আলগী, হামেরদি ইউনিয়ন ব্যতিত) উপজেলা নিয়ে এ আসন গঠিত। সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় ২৩৭টি আসনে দলটির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন তিনি।
প্রার্থী ঘোষণার আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় জরুরি বৈঠকে বসেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী চলা এ বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত ও চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে এ বৈঠক হয়।
প্রসঙ্গত, আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের প্রথমে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আরো পড়ুন : যেভাবে ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর বাছাই করল বিএনপি

একই আসনে বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থী দুই ভাই
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে সৃষ্টি হয়েছে ভিন্ন এক পরিস্থিতি। এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী উভয় দলের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছেন আপন দুই ভাই। এ নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। সোমবার (৩ নভেম্বর) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম ২৩৭ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছেন। এরমধ্যে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে প্রার্থী হিসাবে আজিজুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক। দুই ভাইয়ের এই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন এলাকার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যন্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। এখন সবার নজর দুই ভাইয়ের লড়াইয়ে।
এতদিন রৌমারী উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক মাঠ চষে বেড়িয়েছেন। প্রায় গুছিয়ে নিয়েছিলেন সবকিছুই। কিন্তু বিএনপি থেকে তার বড় ভাই এবং রৌমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান প্রার্থী হওয়ায় সব হিসেব এখন নতুন করে করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে দুই ভাইয়ের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। কিন্তু একই পরিবার থেকে দুটি বড় দলের প্রার্থী হওয়ায় চলছে নানান হিসাব ও জল্পনা-কল্পনা।
কুড়িগ্রাম-৪ আসন চিলমারী, রৌমারী ও চর রাজিবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৪১২ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭১১ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ (হিজড়া) ভোটার ৯ জন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসনটি ঐতিহাসিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলেরই শক্ত ঘাঁটি হিসেবে কুড়িগ্রাম-৪ দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। ফলে দুই ভাইয়ের মুখোমুখি লড়াই আসনটিকে জাতীয় পর্যায়ে আলোচিত আসনে পরিণত করেছে।
স্থানীয় এক প্রবীণ রাজনীতিক বলেন, রৌমারী-চিলমারীর ইতিহাসে এমন দৃশ্য প্রথম। ভাইয়ের বিপরীতে ভাই-এটা নির্বাচনি মাঠে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
জামায়াতের প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তাক বলেন, আমার বড় ভাই বিএনপি থেকে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি যদি সত্যি মনোনয়ন পেয়ে যান তাতে করে আমাকে পরাজিত করতে পারবে না। কেননা জামায়াতের জনপ্রিয়তা এখন অনেক বেড়েছে। দুই ভাই প্রার্থী হলেও নির্বাচনে এর কোনো প্রভাব ফেলবে না।
আজিজুর রহমান বলেন, আমার ছোট ভাই একসময় বিএনপি করতো। আমার কারণে সে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পরবর্তীতে জামায়াতে যোগদান করে সেই দলের প্রার্থী হয়েছে। আমাকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা না করলে আমার পরিচয় এবং পারিবারিক ইমেজের কারণে আমার ছোট ভাই এককভাবে নির্বাচনে সুবিধা নিতে পারত। কিন্তু আমি প্রার্থী হওয়ায় সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলো। জনগণ আমাকেই চাইছে।

খুলনা বিভাগে বাবার আসনে মনোনয়ন পেলেন ৩ প্রার্থী
খুলনা বিভাগের ৩টি আসনে বিএনপির প্রয়াত নেতাদের উত্তরসূরী হিসেবে তাদের ছেলেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের ছেলে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ঝিনাইদহ-৩ আসনের চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম শহিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান রনি ও কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজা আহাম্মদ বাচ্চু মোল্লা। তিনি ওই আসনের বিএনপির চারবারের এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত আহসানুল হক মোল্লার ছেলে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেই লক্ষ্যে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফশিল ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
জানা যায়, যশোর-৩ (সদর) আসনের একাধিকবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি যশোর জেলার পাশাপাশি খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় বিএনপিকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন।
ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনে চারবারের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম মাস্টার। তার মৃত্যুর পর ছেলে মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান রনি বাবার রাজনীতির ময়দানে হাল ধরেন। তার নেতৃত্বে বিএনপি সংগঠিত হয়েছে। সেই রনি এবার বাবার আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে লড়বেন।
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজা আহাম্মদ বাচ্চু মোল্লা। তিনি ওই আসনের বিএনপির চারবারের এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত আহসানুল হক মোল্লার ছেলে।

ক্রীড়াঙ্গন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সোমবার ২৩৭ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া এই প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের কয়েকজন পরিচিত মুখ। তাদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত দুই নাম—সাবেক তারকা ফুটবলার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও দেশের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক আমিনুল হক। সাবেক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে ভোলা-৩ আসনে, আর বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছেন ঢাকা-১৬ আসনে।
ঘোষিত তালিকায় আরও রয়েছেন ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত কয়েকজন প্রার্থী। সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী মনোনয়ন পেয়েছেন মাগুরা-২ আসনে, আর সাবেক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মির্জা আব্বাস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ঢাকা-৮ আসন থেকে।
এ ছাড়া মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাবেক সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরী লড়বেন কুমিল্লা-৬ আসনে, ক্লাবটির পরিচালক মো. মাসুদুজ্জামান মনোনয়ন পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে।
ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি খায়রুল কবির খোকন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন নরসিংদী-১ আসনে, ব্রাদার্স ইউনিয়নের সভাপতি ইসরাক হোসেন থাকছেন ঢাকা-৬ আসনে, আর জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের আহ্বায়ক শরিফুল আলম হচ্ছেন কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের প্রার্থী।
এছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী আসগর বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন খুলনা-৫ আসনে।

ঢাকার ১৩টি আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে ১৩টিতে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। সোমবার বিকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ধানের শীষের ২৩৭ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এর মধ্যে ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন খন্দকার আবু আশফাক। ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ) আসনে লড়বেন আমানউল্লাহ আমান। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে প্রার্থী করা হয়েছে ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ-জিনজিরা) আসনে।
ঢাকা-৪ (যাত্রাবাড়ি) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন তানভীর আহমেদ রবিন। ঢাকা-৫ (ডেমরা) আসনে লড়বেন নবী উল্লাহ নবী। কোতোয়ালি ও সূত্রাপুর নিয়ে গঠিত ঢাকা-৬ আসনে লড়বেন ইশরাক হোসেন।
ঢাকা-৮ আসনে (মতিঝিল-শাহজাহানপুর-রমনা)) প্রার্থী করা হয়েছে মির্জা আব্বাসকে। এম এ কাইয়ুম লড়বেন ঢাকা-১১ (বাড্ডা) আসন থেকে। ঢাকা-১২ (তেজগাঁও) আসনে প্রার্থী করা হয়েছে সাইফুল আলম নীরবকে।
সানজিদা ইসলাম তুলিকে প্রার্থী করা হয়েছে ঢাকা-১৪ (মিরপুর) আসনে। ঢাকা-১৫ (কাফরুল) আসনে লড়বেন শফিকুল ইসলাম খান। আমিনুল হক লড়বেন ঢাকা-১৬ (পল্লবী) আসন থেকে। ঢাকা-১৯ (সাভার) আসনে ধানের শীষে লড়বেন দেওয়ান সালাহ উদ্দিন বাবু।
আরো পড়ুন : বিএনপির যেসব প্রভাবশালী নেতা “একাদশের টিকে“ পাননি
