লেখক: সিফাত উল্লাহ (মানবাধিকার কর্মী) : একজন মানুষের মৃত্যুর পর তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা জীবদ্দশায় কার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন, তা দিয়ে তাঁর মর্যাদা নির্ধারিত হতে পারে না। মৃত্যুর পর একজন মানুষের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, তাঁর মরদেহের মর্যাদা রক্ষা এবং ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন করার সুযোগ নিশ্চিত করা মানবিক মূল্যবোধের মৌলিক দাবি। অথচ বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর দাফনকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা আমাদের মানবাধিকারচর্চা, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং আইনের শাসন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮৭ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। ২৪ অক্টোবর ২০২৬ সালে তাঁর মৃত্যুর পর পিরোজপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান এবং নিজ এলাকায় দাফন নিয়ে বিরোধ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর গভীর রাতে পুলিশি নিরাপত্তায় মৃত্যুর প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর মানিক পশারীর মরদেহ দাফন করেন তার পরিবারের সদস্যরা।
তাদের অভিযোগ, প্রথমবার কবর খোঁড়ার পর স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা সেটি ভরাট করে দেন। পরে রাতে মানিক পশারীর মেয়ে ও দুই বোন গ্রাম পুলিশের সহায়তায় মোবাইল ফোনের আলোয় আবার কবর খুঁড়ে দাফনের ব্যবস্থা করেন। ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমবার খোঁড়া কবর ভরাট করে দেওয়ার পর পরিবারের নারী সদস্যদের আবার কবর খুঁড়তে হয়।
এ ঘটনা কেবল একটি পরিবারের দুর্ভোগের বিবরণ নয়। এটি আমাদের রাজনৈতিক সমাজের এমন এক প্রবণতার প্রতিফলন, যেখানে প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ কখনো কখনো মানুষের মৌলিক মর্যাদাকেও অস্বীকার করার পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
প্রশ্ন হচ্ছে, একজন মুক্তিযোদ্ধার দাফন নিয়ে এমন পরিস্থিতি কেন সৃষ্টি হবে?
মানিক পশারী সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার অভিযোগ, বিচারিক কার্যক্রম কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে রাজনৈতিক ও আইনগত বিতর্ক থাকতে পারে। কেউ তাঁর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুললে তারও আইনসম্মত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এসব প্রশ্নের নিষ্পত্তি হওয়ার কথা যথাযথ কর্তৃপক্ষ ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, রাজনৈতিক শক্তি প্রয়োগ করে নয়।
কোনো ব্যক্তির মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি নিয়ে আপত্তি থাকলে তা যাচাই করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের। কোনো রাজনৈতিক দল বা তার সমর্থকদের নিজেদের সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত ধরে নিয়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান কিংবা দাফনের প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার অধিকার নেই। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। আর অভিযোগ অস্বীকার করা হলে, সেই বক্তব্যও নিরপেক্ষ তদন্তে বিবেচিত হওয়া প্রয়োজন।
এখানে মূল প্রশ্নটি জামায়াতে ইসলামী কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া নয়। প্রশ্নটি হলো, রাজনৈতিক বিরোধের কারণে একজন মৃত মানুষের মর্যাদা এবং তাঁর পরিবারের ন্যায্য অধিকার কেন অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে?
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস আমাদের দেখিয়েছে, ক্ষমতা মানুষকে কীভাবে জবাবদিহির ঊর্ধ্বে থাকার ভ্রান্ত ধারণা দিতে পারে। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, ভিন্নমতাবলম্বী এবং অধিকারকর্মীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বিভিন্ন নিপীড়নের অভিযোগের ক্ষেত্রে দলীয় আনুগত্য ও ক্ষমতার প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীনদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দুর্বল হয়েছে, আবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি নীরব থেকেছেন।
কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশের সামনে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা ছিল আরও বেশি গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের। সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে কেবল ক্ষমতাসীন দলের নাম বদলালেই হবে না; ক্ষমতা প্রয়োগের ধরনও বদলাতে হবে।
যে আচরণ আওয়ামী লীগ আমলে অন্যায় ছিল, তা জামায়াতে ইসলামী করলে ন্যায়সঙ্গত হয়ে যায় না। একইভাবে, কোনো কাজ বিএনপি, জামায়াত কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক শক্তি করলে তার গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারিত হবে না দলটির পরিচয়ে। নির্ধারিত হবে কাজটির আইনগত ও নৈতিক ভিত্তিতে।
মানিক পশারীর দাফনকে ঘিরে সংবাদমাধ্যমে উঠে আসা অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলে, সংশ্লিষ্টদের আচরণকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অসহিষ্ণুতার গুরুতর দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। অতীতের ক্ষমতাসীনদের আচরণের সঙ্গে তুলনা করারও যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তবে এ তুলনার উদ্দেশ্য কোনো দলকে অন্য দলের চেয়ে ভালো বা মন্দ ঘোষণা করা নয়; বরং একই ধরনের ক্ষমতাকেন্দ্রিক ও প্রতিহিংসাপরায়ণ আচরণের বিরুদ্ধে সমান মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করা।
ফ্যাসিবাদী প্রবণতা কোনো একটি দলের একক সম্পত্তি নয়। যে দলই বিরোধী মতকে দমন করতে চায়, ভিন্নমতের মানুষের অধিকার অস্বীকার করে কিংবা রাজনৈতিক প্রভাবকে আইনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে, সেই দলই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী আচরণ করে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নীরবতা উদ্বেগজনক?
এই ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়ার প্রশ্ন। বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে অনেক সংগঠন বিবৃতি দিয়েছে, সংবাদ সম্মেলন করেছে, প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহি দাবি করেছে। কিন্তু কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় যদি প্রতিবাদের তীব্রতা নির্ধারণ করে, তাহলে মানবাধিকারের সর্বজনীনতার ধারণাটিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
মানিক পশারীর দাফনকে ঘিরে যে অভিযোগগুলো সংবাদমাধ্যমে এসেছে, সেগুলোর বিষয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কাছ থেকে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি, পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান কিংবা মৃত ব্যক্তির মর্যাদা রক্ষার বিষয়ে দৃশ্যমান ও জোরালো অবস্থান দেখা যায়নি।
মানবাধিকার সংগঠনের দায়িত্ব কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে দাঁড়ানো নয়। তাদের দায়িত্ব মানুষের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানো। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা যখন অধিকার লঙ্ঘন করে, তখন যেমন প্রতিবাদ করতে হবে, তেমনি রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় সংগঠন কিংবা প্রভাবশালী গোষ্ঠী একই কাজ করলে তার বিরুদ্ধেও কথা বলতে হবে।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোনো মানবাধিকার সংগঠন যদি ক্ষমতাসীনদের অন্যায়ের ক্ষেত্রে নরম অবস্থান নিয়ে থাকে, তাহলে সেটি যেমন সমালোচনার যোগ্য, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় অন্য কোনো শক্তির অন্যায়ের ক্ষেত্রে একই নীতি অনুসরণ করাও তেমনি সমালোচনার দাবি রাখে। এক পক্ষের অন্যায়কে নিন্দা করা এবং অন্য পক্ষের অন্যায়কে উপেক্ষা করা মানবাধিকারকর্ম নয়; এটি রাজনৈতিক পক্ষপাতের ঝুঁকি তৈরি করে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করে তাদের ধারাবাহিকতা, স্বাধীনতা এবং নীতিগত দৃঢ়তার ওপর। ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা কিংবা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সুবিধার হিসাব যদি তাদের অবস্থানকে প্রভাবিত করে, তাহলে তারা জনগণের আস্থা হারাবে।
মানবাধিকার কি ক্ষমতার অনুমতি নিয়ে চর্চা করতে হবে?
মানবাধিকার কোনো রাজনৈতিক দলের দান নয়। এটি মানুষের অন্তর্নিহিত অধিকার। রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেই অধিকার রক্ষা করা, আর নাগরিক সমাজের দায়িত্ব অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা।
একজন ব্যক্তি জীবদ্দশায় বিতর্কিত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও তাঁর মানবিক মর্যাদা বিলুপ্ত হয় না। তিনি কোনো মামলার বাদী, সাক্ষী কিংবা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হলেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের নিষ্পত্তি হতে হবে আইন অনুযায়ী। তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও কোনো রাজনৈতিক বিরোধের দায় বহন করতে বাধ্য করা যায় না।
এ কারণেই মানিক পশারীর দাফন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। কারা বাধা দিয়েছেন, কী কারণে বাধা দিয়েছেন, প্রশাসন সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পেরেছিল কি না এবং পরিবারের সদস্যদের কেন এমন দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হলো, তা স্পষ্ট করা জরুরি। একই সঙ্গে তাঁর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্ন থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে তার নিষ্পত্তি করতে হবে। এখানে কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য হলো, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আমরা কতটা নিরপেক্ষভাবে অন্যায়ের মোকাবিলা করতে পারি, তার ওপর। রাজনৈতিক পালাবদলের পরও যদি একই ধরনের প্রতিহিংসা, ভিন্নমতের প্রতি অসহিষ্ণুতা এবং ক্ষমতাশালীদের প্রতি নতজানু মনোভাব বহাল থাকে, তাহলে পরিবর্তনের মৌলিক উদ্দেশ্য ব্যর্থ হবে।
মানিক পশারীর দাফনকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে তাই কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
প্রথমত, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে বাধা দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে হবে এবং আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
দ্বিতীয়ত, মৃত ব্যক্তির মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি নিয়ে কোনো বিতর্ক থাকলে তা সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করতে হবে।
তৃতীয়ত, মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে ঘটনাটির বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় যেন তাদের প্রতিক্রিয়ার মানদণ্ড নির্ধারণ না করে।
চতুর্থত, রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃত্বকে স্পষ্ট করতে হবে যে তাদের সমর্থক বা কর্মীদের কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিলে দলীয় পরিচয়ের কারণে দায়মুক্তি পাবেন না।
সবশেষে, প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে যে কোনো রাজনৈতিক গোষ্ঠী যেন নাগরিকের মৌলিক অধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা নিজেদের হাতে তুলে নিতে না পারে।
শেষ কথা হলো, ক্ষমতার পরিবর্তন মানেই গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা নয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় তখনই, যখন ক্ষমতাবান ও ক্ষমতাহীন, সমর্থক ও বিরোধী, পরিচিত ও অপরিচিত, সবার জন্য একই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়।
আওয়ামী লীগ আমলে যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রয়োজন ছিল, আজও সেই একই নীতিতে প্রতিবাদ করতে হবে। জামায়াতে ইসলামী হোক কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক শক্তি, কারও অন্যায়কে রাজনৈতিক সুবিধার কারণে আড়াল করা যাবে না। মানবাধিকার সংগঠনগুলোরও মনে রাখা দরকার, তাদের নৈতিক দায় কোনো ক্ষমতাকেন্দ্রের কাছে নয়, মানুষের অধিকারের কাছে।
মৃত মানুষের দাফন নিয়ে রাজনীতি এবং সেই রাজনীতির সামনে মানবাধিকারের কণ্ঠস্বর দুর্বল হয়ে পড়া, দুটিই আমাদের জন্য সতর্কবার্তা। বাংলাদেশ যদি সত্যিই আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পথে এগোতে চায়, তাহলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে দলীয় আনুগত্যের ঊর্ধ্বে উঠে। অন্যথায় শুধু ক্ষমতার পালাবদল ঘটবে, কিন্তু অন্যায়ের সংস্কৃতি বদলাবে না।
লেখক পরিচিতি: সিফাত উল্লাহ একজন মানবাধিকারকর্মী। তিনি Human Rights Support Society (HRSS)-এর Youth Engagement Officer এবং Human Rights Defenders Society (HRDS)-এর General Secretary হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মানবাধিকার সুরক্ষা, তরুণদের সম্পৃক্ততা, আইনের শাসন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি কাজ করছেন। তাঁর লেখায় মানবাধিকার, গণতন্ত্র, জবাবদিহি ও সামাজিক ন্যায়বিচারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। মোবাইলঃ ০১৭৯৭৩৪৭৬৭৭।
আরো পড়ুন : এফবিআই ৪৫ বছরেও উড়োজাহাজ থেকে লাফিয়ে অদৃশ্য ছিনতাইকারী ড্যান কুপার’র রহস্য পেলনা
